Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Country

1 year ago

Ratan Tata: সিঙ্গুর নয় অন্য গ্রামে গড়ল ন্যানো কারখানা, কেন প্রথমে সিঙ্গুরকে বেছেছিলেন রতন টাটা?

Ratan Tata
Ratan Tata

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ- গত ৯ অক্টোবর চিরবিদায় নিয়েছেন শিল্পপতি রতন টাটা। টাটা গ্রুপের এই  চেয়ারম্যান শিল্পপতি ছাড়াও মানবিকতার দিক দিয়ে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিগত কয়েক বছর আগে বাংলায় রতন টাটা নিজের স্বপ্নের কারখানা গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। সেইসাথে মধ্যবিত্তদের কম টাকায় চারচাকার স্বপ্নও দেখিয়েছিলেন তিনি। এই কারণে ন্যানো কারখানা তৈরি করার কথা ভেবেছিলেন রতন টাটা। 

তবে কেন সিঙ্গুরেই সেই কারখানা গড়ার কথা ভেবেছিলেন? সেই নিয়ে আসল সামনে এল! এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার কর্পোরেট জনসংযোগ আধিকারিক নীরা রাডিয়া জানান, "স্বপ্ন দেখতেন রতন টাটা। তিনি অত্যন্ত দূরদর্শী সম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন। ভারত ছিল ওঁনার গর্ব। দেশকে, দেশের মানুষকে বরাবর ভালোবাসতেন। তিনি অনুভব করেছিলেন ভারতে বিশ্বায়নের প্রয়োজন। আর তাই উন্নত প্রযুক্তির আমদানি ঘটিয়ে দেশের মানুষকে আরও ভালো পরিষেবা দেওয়ার কথা ভাবেন।" তিনি বলেন, রতন টাটা চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আসুক, সেইসাথে কর্মসংস্থানের উৎস তৈরি হোক। মন থেকে উনি সিঙ্গুরকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। তবে তিনি কোনো রাজনীতি চাননি। রাজ্যের শিল্পায়ন গড়ে তোলার জন্যই এই স্বপ্ন বুনেছিলেন। এমনকি সেই সাথে অনেক হিসেব কষেই গাড়ির দাম এক লাখে তৈরি করার পরিকল্পনা করেন।  

তিনি আরও জানান, শেষ পর্যন্ত সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা গড়ে ওঠেনি। আর যদি সেখানে এই শিল্পায়ন বাস্তবে পরিণত হতো তাহলে কলকাতা থেকে সিঙ্গুরের চারপাশের চিত্রটাই বদলে যেত। বর্তমানে এই ন্যানো কারখানার জন্য গুজরাটের সানন্দা এখন গুরুগ্রামে পরিণত হয়েছে এমনটাই জানান নীরা দেবী। 

You might also like!