
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ তিনি অভিনেত্রী, ঘটনাপ্রবাহে তিনি এখন রাজনীতিকও এবং শাসকদলের বিধায়কও বটে। সেই ঘটনাপ্রবাহেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ বৃত্তে রয়েছেন। সেই কারণেই জুনের আচমকা ক্রিকেট প্রশাসনে আগমন নিয়ে জল্পনা এবং আলোচনা শুরু হয়েছে। বস্তুত, জুনের আগে কোনও মহিলা বিধায়ক বা রাজনীতিক রাজ্যের ক্রিকেট প্রশাসনে অন্তত সাম্প্রতিক কালে এসেছেন বলে জানা নেই।
অনেকে মনে করছেন, এর পিছনে ‘দিদির হাত’ রয়েছে। সেই আলোচনার মধ্যেই জল্পনাও শুরু হয়েছে— দিদি সিএবি প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করতে চান, না কি চান না? তৃণমূলের একাংশের অনুমান, জুনকে ‘বোড়ে’ হিসেবে সিএবি-র প্রশাসনের অংশ হিসাবে সামনে ঠেলে দিয়ে নতুন প্রশাসনে ‘জল মাপতে’ চাইছে তৃণমূল শিবির।
তবে সূত্রের খবর, জুনের সিএবি-তে আগমন শুধু গত সোমবারের বার্ষিক সাধারণ সভার জন্যই। পরের বছরও যে তিনিই সিএবি-তে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিশ্চিত নয়। কারণ, নির্বাচন না হওয়ায় এখন মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা চালাচ্ছে প্রশাসক কমিটি। পদাধিকার বলে যার শীর্ষে রয়েছেন জেলাশাসক। তিনিই জুনকে মনোনীত করেছেন। এর পর সংস্থার নির্বাচন হয়ে যাবে। তখন যিনি সভাপতি এবং সচিব নির্বাচিত হবেন, তাঁরাই ঠিক করবেন, সিএবি-তে তাঁদের হয়ে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তখনও জুনই মনোনীত হন কি না, সেটাই দেখার।
