Breaking News
 
Ram Mandir Trust New CEO: রামমন্দির ট্রাস্টের প্রথম সিইও অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র, ‘সিঁদুর’ পর্বে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা Durga Puja 2026: মহালয়ার দিন ইডেনে চমক! উমা আগমনী অনুষ্ঠানে মোদিকে ঘিরে জল্পনা CM Suvendu Adhikari: নেশামুক্তির বার্তা শুভেন্দুর, রোড রোলারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ২ লক্ষ ফেনসিডিলের শিশি UP assembly election: পুরনো মনোমালিন্য ভুলে ‘হাত’ ধরলেন অখিলেশ! উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে নতুন সমীকরণ Election Commission: ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে ভোটগণনায় বদল? ‘টোটালাইজার’ নিয়ে কেন্দ্রের মত চাইল সুপ্রিম কোর্ট Rising Seas, Rising Stakes: বিশ্ব উষ্ণায়নে বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তর, বড় বিপদের মুখে কলকাতা-মুম্বই! সতর্কবার্তা রাষ্ট্রসংঘের

 

Game

3 years ago

Kolkata Derby : আগামীকাল কলকাতা ডার্বি, জেনে নিন ইতিহাসে স্মরণীয় পাঁচটি ম্যাচ

Kolkata Derby (File Picture)
Kolkata Derby (File Picture)

 

কলকাতা, ১১ আগস্ট : ভারতীয় ফুটবল কেন, এশিয়ার অন্যতম কলকাতা ডার্বি। লাল-হলুদ বনাম সবুজ-মেরুণের লড়াই। সমর্থকদের আবেগের লড়াই। আগামীকাল শনিবার কলকাতা ডার্বি। ডুরান্ড প্রতিযোগিতার ম্যাচ। শতবর্ষ পেরিয়ে যাওয়া কলকাতার ঐতিহ্যশালী ডার্বি। অতীতে কলকাতা ডার্বির বেশ কিছু স্মরণীয় ম্যাচ রয়েছে। সেই রকমই পাঁচটি সবচেয়ে ঐতিহাসিক কলকাতা ডার্বি দেখে নেওয়া যাক।

আইএফএ শিল্ড ফাইনাল, ১৯৭৫, ইস্টবেঙ্গল ৫-০ মোহনবাগান ১৯৭৫ সালের আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হয়েছিল। লাল-হলুদ ব্রিগেড মোহনবাগানকে পাঁচ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে ছিল। এখনও পর্যন্ত ডার্বির ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। শ্যাম থাপা (২), রঞ্জিত মুখার্জি, সুরজিৎ সেনগুপ্ত এবং শুভঙ্কর সান্যাল এই ঐতিহাসিক ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোলদাতা ছিলেন। এই ম্যাচ নিয়ে একটি অন্য কাহিনীও আছে। উমাকান্ত পালোধি একজন মোহনবাগান সমর্থক শিল্ড ফাইনালে হারের পর আত্মহত্যা করেছিলেন। তাঁর সুইসাইড নোটে লেখা ছিল- “আমার পরের জন্মে, আমি মোহনবাগান ফুটবলার হয়ে প্রতিশোধ নেব।”

আই-লিগ ডার্বি, ২০০৯ মোহনবাগান ৫-৩ ইস্টবেঙ্গলঃ ২০০৯ সালে আই-লিগ ডার্বিতে ৫-৩ ব্যবধানে জিতেছিল মোহনবাগান। নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড চিডি এই ম্যাচে চার গোল করেছিলেন। ৩৪ বছর ধরে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা একটি ডার্বি ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পাঁচ গোল করার বিষয়ে গর্ব করছিল। ২০০৯ সালে মোহনবাগান শেষ পর্যন্ত প্রতিশোধ নিল। চিডি ছাড়া, মণীশ মাইথানিও গোল করেছিলেন। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নির্মল ও ইউসিফ ইয়াকুবু (২) গোল করেন।

ফেডারেশন কাপ সেমিফাইনাল ১৯৯৭, ইস্টবেঙ্গল ৪-১ মোহনবাগানঃ ঐতিহাসিক এই ডার্বি ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। খেলার জন্য নয়, দর্শকদের আবেগের জন্য, এই ম্যাচে অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যার জন্য। সল্টলেক স্টেডিয়ামে ফেডারেশন কাপ সেমিফাইনালে এক লক্ষ ৩০ হাজার জনেরও বেশি লোক উপস্থিত ছিলেন। ভাইচুং ভুটিয়া ডার্বির ইতিহাসে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন। ইস্টবেঙ্গল প্রতিপক্ষ মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নাজিমুল হক এবং মেরিনার্সের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন চিমা ওকোরি।

কলকাতা ফুটবল লিগ ২০০৭, ইস্টবেঙ্গল ৩-৪ মোহনবাগানঃ কলকাতা ডার্বির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। ২০০৭ সালে কলকাতা ফুটবল লিগের ম্যাচে সল্টলেক স্টেডিয়ামে মোহনবাগান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ৪-৩ গোলে পরাজিত করেছিল। প্রথমার্ধে এস. ভেঙ্কটেশ, জোসে রামিরেজ ব্যারেটো এবং পিসি লালাওম্পুইয়ার সৌজন্যে মেরিনার্সরা ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আলভিটো ডি’কুনহা একটি জোড়া গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে খেলায় ফিরিয়ে আনে। ভেঙ্কটেশ দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল করেছিলেন যা ম্যাচ নির্ণায়ক হয়ে যায়। কারণ ইস্টবেঙ্গলের এডমিলসন মার্কেস দ্বিতীয়ার্ধে একটি পেনাল্টি নষ্ট করেছিলেন।

কলকাতা ফুটবল লিগ ২০১৫, ইস্টবেঙ্গল ৪-০ মোহনবাগানঃ ২০১৫ সালে কলকাতা ফুটবল লিগে দক্ষিণ কোরিয়ার উইঙ্গার ডো ডং-হিউনের সৌজন্যে ইস্টবেঙ্গল তাদের প্রতিপক্ষকে ৪-০ গোলে পরাজিত করেছিল। প্রথমার্ধে প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে দুটি ফ্রি-কিকে গোল করেন। বাকি দুটি গোল করেন মহম্মদ রফিক ও রাহুল ভেকে।


You might also like!