
মুম্বাই, ৮ এপ্রিল : মাঠে বসে ক্রিকেট উত্তাপ নেওয়ার জন্য একটা আইপিএলের টিকিট নিয়ে রয়েছে হাহাকার, তুমুল আগ্রহ। এরপরও কি বলা যাবে ‘সুপারহিট’ আইপিএল? উত্তরটা, না! বরং উল্টো কথাই তথ্য শোনাচ্ছে। কি বলছে তথ্য? ভরপুর স্টেডিয়াম দিয়ে সাফল্য মাপা যাবে না ক্রিকেটের সবচেয়ে এই জনপ্রিয় লিগের।
আপনাকে তার জন্য চোখ রাখতে হচ্ছে টিভি রেটিংয়ে। ক্রিকেট ভক্তদের মাত্র কয়েক শতাংশ ম্যাচ টিকিট পেতে পারেন। বাকিদের ভরসা কিন্তু টিভি। সেই টিভি রেটিং বা বার্ক কিন্তু আইপিএলকে পাস মার্কের বেশি দিতে পারছে না।
দেখা যাচ্ছে, গত মরসুম থেকেই আইপিএলের টিভি রেটিং পড়ছে। আইপিএলের শুরু সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি টিভি রেটিং থাকে। সারা দেশ সন্ধে সাড়ে ৭টা থেকেই টিভিতে চোখ রাখে। অবশ্য যেদিন থেকে টিভির পাশাপাশি অ্যাপেও আইপিএল সরাসরি সম্প্রচার করা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে টিভি আর অ্যাপের দর্শকরা ভাগ হয়ে গিয়েছেন। কেউ টিভি দেখেন, কেউ মোবাইলেই স্বচ্ছন্দ। এটাই হয়তো বর্তমান ছবি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে টিভিতে আইপিএল দেখার দর্শকের সংখ্যা গতবারের থেকেও কমেছে। 'বার্ক' ধরলে আইপিএলের ওপেনিং ম্যাচে রেটিং ছিল ২২। শহুরে ও গ্রামীন দর্শকদের ধরেই এই রেটিং ঠিক হয়। যা মোটেই সন্তোষজনক নয়। গত বছরও রেটিং পড়েছিল। তবে তা খুব বেশি চাপ তৈরি করেনি। পরের দিকে খানিকটা হলেও সেই রেটিং বেড়েছিল। কিন্তু এ বার সেই রেটিং বাড়বে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
টিভি ভিউয়ার ও মোবাইল ভিউয়ারের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে গিয়েছে আইপিএলের। স্টার স্পোর্টস এতদিন টিভিতে আইপিএল দেখানোর পাশাপাশি হটস্টারে আইপিএল সম্প্রচার করত। সেখানেও বদল এসেছে। টিভিতে আইপিএল দেখাচ্ছে স্টার স্পোর্টস। কিন্তু মোবাইলে আইপিএল সম্প্রচার করছে ভায়াকম ১৮। জিও-সিনেমাতে ফ্রিতে দেখা যাচ্ছে আইপিএল। অর্থাৎ সাবক্রিপশনের কোনও দরকার নেই। যে কারণে হটস্টারের আগের থেকে জনপ্রিয়তা অনেকখানি কমেছে। সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যাও কমেছে। যদি এই পরিস্থিতিতে আইপিএল টিভি ভিউয়ার কমে যায়, তা হলে সম্প্রচার সত্ত্ব থাকা টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি বিসিসিআইকেও চিন্তায় ফেলে দেবে।
