
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সাক্ষী মালিকের পর এবার বজরং পুনিয়া!WFI-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বৃজ ভূষণ শরণ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় সিংয়ের নির্বাচনের পর কুস্তিগিররা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। প্রতিবাদ হিসেবে সবার আগে পদক্ষেপ নিয়েছেন সাক্ষী মালিক। তিনি কুস্তিকে বিদায় জানিয়েছেন। তাঁরপর এবার পদক্ষেপ নিলেন বজরং পুনিয়া। পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিলেন তিনি। WFI-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে সঞ্জয় সিংয়ের বসার প্রতিবাদে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গিয়েছে।
২০১৯ সালে বজরং পুনিয়া পদ্মশ্রী পান। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাত থেকে তিনি পদ্মশ্রী নেন। তাঁর সঙ্গে পদ্মশ্রী পান অচন্ত শরৎ কমল, কবাডি খেলোয়াড় অজয় ঠাকুর ও দাবাড়ু দ্রোণাবল্লী হারিকা। বজরং পুনিয়া ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসে সোনা জেতেন। তিনি সেই বছরই ৬৫ কেজি বিভাগে বিশ্ব তালিকায় এক নম্বরে যান। তাঁর এই সাফল্যের জন্য তাঁকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। এবার সেই পদ্ম সম্মান ফিরিয়ে দিলেন তিনি।
WFI-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বৃজ ভূষণ শরণ সিংয়ের অপসারণের দাবি জানিয়ে সবথেকে বেশি সরব ছিলেন যেই কুস্তিগিররা তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে ছিলেন বজরং পুনিয়া। যন্তরমন্তরে ধরনা দেওয়া হোক বা নতুন পার্লামেন্ট ভবন অভিযান হোক সবকিছুতেই আগে ছিলেন তিনি। তাঁকে পুলিশ আটক করেছিল। তিনিও বাকিদের মতো হরিদ্বারের গঙ্গায় পদক বিসর্জনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সেবার তাঁদের কথা শোনায় তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। এবার আর পিছু হঠলেন না। কুস্তি ফেডারেশনের মাথায় বৃজ ভূষণ ঘনিষ্ঠের বসার প্রতিবাদে তিনি ছেড়ে দিলেন পদ্মশ্রী। আগেই কুস্তিকে বিদায় জানিয়েছিলেন সাক্ষী মালিক। যদিও প্রতিবাদে থাকা বাকিরা এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখে বজরং পুনিয়া বলেন, 'আমি আমার পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীকে। আমার এই চিঠিটার মাধ্যমে আমি এটা ঘোষণা করছি, এটা আমার বিবৃতি।' এটা তিনি টুইট করেও জানান।
