
মুম্বই, ৫ এপ্রিল : আগের মত ঢালাও বিনিয়োগ নেই আইপিএলে। এর ফলে লোকসান কমাতে স্পন্সরশিপ ছাড়ছে স্টার্টআপগুলি। ভেঞ্চার ইন্টেলিজেন্স ডেটার তথ্য অনুযায়ী, দেশের স্টার্টআপগুলির কাছে অনেকটাই কমেছে ফান্ডিং। কতটা ফান্ডিং কমেছে? ২০২১ সালের তুলনায় গতবার অর্থাৎ ২০২২ সালে প্রায় এক তৃতীয়াংশ ফান্ডিং কমে গেছে। ২০২১ সালের ৩৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে কমে ২০২২ সালে ২৩.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রযুক্তি স্টার্টআপের বাজার খুবই মন্দা। আগেকার মতো বিনিয়োগের পাহাড় নেই স্টার্টআপগুলির। ফলে স্টার্টআপ গুলির প্রচার ও বিজ্ঞাপনে কোটি-কোটি টাকার খরচের ক্ষমতা আর নেই। তাই ব্যয় কমাতে কাটছাঁট করছে তারা। আর সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসাবেই আইপিএলে স্পনসরশিপ ছেড়ে দিচ্ছে তারা।
এই তালিকায় রয়েছে
বাইজু, অ্যামাজন প্রাইম, প্রিস্টন কেয়ার, জেপটো, আনএকাডেমি,ফোন পে, অ্যাথার এনার্জি, নিও এবং স্পটিফাইএর মতো সংস্থাগুলি।
২০২২ সালের আইপিএল চলেছে স্টার্টআপদের টাকায়। প্রায় ৬০টিরও বেশি সংস্থা অফিসিয়াল অন-গ্রাউন্ড পার্টনার, স্ট্রিমিং পার্টনার এবং টিম স্পনসর হিসাবে মোটা টাকা বিনিয়োগ করেছিল। খেলার অফিসিয়াল সম্প্রচারকারী ছিল স্টার স্পোর্টস। তারাও মোট ১৪টি স্পনসর পেয়েছিল। তার মধ্যে মোট আটটিই স্টার্টআপ। যেমন, সিআরইডি, ফোন পে, স্পটিফাই, সুইস ও মিসু। এছাড়া রয়েছে ড্রিম ইলেভেন টাটা নিউ, বাইজুর মতো সংস্থা। একইভাবে, ডিসনে- হটস্টারএ মোট ১৮টি সংস্থা বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। তার মধ্যে ১২টিই স্টার্টআপ। এছাড়া ড্রিম ইলেভেন, সি আর ই ডি, টাটা নিউ, জেপটো, স্পেনি, পিস্টন কেয়ার, রূপে, আথার, লিভ স্পেস, নিভক্স এবং স্পটিফাইএর মতো কোম্পানিগুলো বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। এছাড়াও, ৪০টিরও বেশি স্টার্টআপ বিভিন্ন টিমকে স্পনসর করেছিল।
এবার আইপিএলের ছবিটা কেমন:
এবার আইপিএলে মিশো এবং কার ২৪ এর মতো বেশ কিছু সংস্থা আর টাকা ঢালছে না। তবে বিজ্ঞাপন আসছে। ডিজনি টুর্নামেন্টের জন্য মোট ১১টি স্পনসর এবং প্রায় ৬০ জন স্পট বিজ্ঞাপনদাতা নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে ভায়াকম ১৮,ড্রিম ১১, পার্লে এগ্রো এবং পুমার মতো স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে।
