
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নিজের জীবনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বদলের কথা শোনালেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, এক সময় বাম মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন । নকশালবাদেও বিশ্বাসী ছিলেন তিনি । একথা নিজেই জানিয়েছেন আপাতত আগামী ছবি ‘দ্য ভ্যাকসিন ওয়ার’-এর কাজে ব্যস্ত মোদী ভক্ত এই পরিচালক ।
বিগত কয়েক বছর ধরেই ডানপন্থী রাজনৈতিক মতামত নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন বিবেক। তার আগে ‘আরবান নকশাল’ নামে এক বইও লিখেছিলেন। যেখানে নিজের কলেজজীবনে ‘শহুরে নকশাল’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের কাহিনি বর্ণনা করেছেন তিনি। এবার নিজের জীবনের রাজনৈতিক মতাদর্শ বদলের কথা শোনালেন দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী বিবেক অগ্নিহোত্রী। সম্প্রতি এই পরিচালক জানিয়েছেন, সেখানে পড়াকালীনই তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের আমূল পরিবর্তন ঘটে। তবে এই ধ্যানধারণা বদলের কৃতিত্ব তিনি কোনওমতেই কোনও প্রতিষ্ঠানকে দিতে নারাজ! বিবেক অগ্নিহোত্রীর কথায়, “আসলে আমার জিন খুবই আলাদা। আমি সেই ধরনের ব্যক্তি নই, যাকে কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। জেএনইউ-এর সমস্যাটা হচ্ছে ওরা পড়ুয়াদের মগজধোলাই করে। এই প্রতিষ্ঠান এমন ছাত্রদের তৈরি করে যারা মনে করে স্রোতের বিপরীতে চললেই বিষয়টা খুব কুল গোছের হবে। কখনও কখনও সমাজের ভালর জন্য কাজ করতে হয়, শুধু সমালোচক হয়ে কোনও লাভ নেই। তাতে আখেড়ে জীবনে হতাশা ছাড়া কিছু মিলবে না। আর সমাজের জন্যও কিছু করা হবে না।”
জেএনইউ -এর ক্যাম্পাসে যেধরণের মতাদর্শ তৈরি হয় সেটারও বিরোধিতা করেছেন প্রাক্তনী বিবেক অগ্নিহোত্রী। পাশাপাশি যেসমস্ত তারকারা বামপন্থায় বিশ্বাসী, সেটারও বিরোধিতা করেছেন পরিচালক। তিনি বলেন, “আমিও হার্ভার্ডে পড়তে গিয়েছিলাম। একটা খুব বিখ্যাত প্রবাদ আছে জানেন, এটা হার্ভার্ডের গেট, ঘোড়া গেলে ঘোড়া বেরিয়ে আসবে। তবে একটা গাধা যদি যায় একটা গাধাই বেরিয়ে আসবে।”
উল্লোখ্য, ‘আদিপুরুষ’ বিতর্ক নিয়ে পরিচালকের মত, “মানুষ মূর্খ নয় যে যাঁকে-তাঁকে ঈশ্বরের ভূমিকায় মেনে নেবে।” নাম না করেই প্রভাসকে বিঁধেছেন পরিচালক।
