Entertainment

1 hour ago

Sreemoyee Chattoraj: মধ্যরাতে নাকা চেকিংয়ের নামে হেনস্থার অভিযোগ, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিনেত্রী তথা কাঞ্চন পত্নী

Sreemoyee Chattoraj
Sreemoyee Chattoraj

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  শুটিং সেরে গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টোরাজ। নাকা চেকিংয়ের নামে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। শনিবার রাত প্রায় ১১টার পর  একটি ভিডিও পোস্ট করে বিধ্বস্ত অবস্থায় অভিনেত্রী জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশি নাকা চেকিং স্বাভাবিক হলেও, সেই দায়িত্ব পালনের সময় ন্যূনতম মানবিকতার অভাব তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গাড়ি থামানোর পর কোনও মহিলা পুলিশ ছাড়াই তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাগ তল্লাশি করা হয় এবং অত্যন্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অভিনেত্রীর কথায়, “টলিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে বাঁদিকে ঘুরতেই দেখলাম নাকা চেকিং হচ্ছে। ওখানে উপস্থিত এসআই আমার গাড়িচালককে গাড়ি থামাতে বলেন। আমি তখন বললাম শুটিং থেকে ফিরছি, বেআইনি কিছু আমার গাড়িতে নেই। তবুও উনি বললেন, এটা আমার ডিউটি, চেক করতে হবে। তখন আমি আর কিছু বলিনি, সত্যিই তো এটা ওঁর দায়িত্ব।” এই পর্যন্ত সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু, পর মুহূর্তের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে শ্রীময়ী মানবিকতার প্রশ্ন তুলে বলেছেন,”ইলেকশন কমিশনারেট বা উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক যেই হোক না কেন ন্যূনতম মানবিকতা থাকা প্রয়োজন। একজন মহিলার সঙ্গে এমন খারাপ আচরণ কীভাবে করা যায়? তাঁদের বাড়িতেও তো মা-বোন আছে।”


এই প্রসঙ্গে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আমার শুটিংয়ের ব্যাগ খুলে ফেলা হল। যার মধ্যে আমার মেকআপ কিট, অন্তর্বাস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, জলের বোতল সহ আরও কিছু জিনিস ছিল। মেক আপ কিটটা যেহেতু একটু বড় ছিল ওখানে উপস্থিত এসআই বলছেন, এই ব্যাগটার মধ্যে পাঁচ-দশ হাজার টাকা থাকতে পারে, ভালো করে চেক কর। আমার প্রশ্ন, শুধু ব্যাগ কেন ফুল বডি চেক করুন কিন্তু, মহিলা পুলিশ কোথায়?” দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন নাগরিকের সম্মানবোধকে আঘাত করা কতটা গ্রহণযোগ্য, সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। নাকা চেকিংয়ের মতো সংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় কীভাবে মানবিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা উচিত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।  

You might also like!