
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ কেউ বলেছেন মোদির হয়ে প্রচার করতেই এমার্জেন্সি বানিয়েছেন। এমনই হাজারও মন্তব্য শুনতে হয়েছে কঙ্গনাকে। এখনও মুক্তি পায়নি ছবি। প্রকাশ্যে এসেছে প্রথম ঝলক। তারপর থেকেই বিতর্ক দানা বাঁধছে। একের পর এক কুমন্তব্য শুনতে হচ্ছে নায়িকাকে। সদ্য এই বিষয় মুখ খুললেন কঙ্গনা।
বললেন, তিনি ছবি দ্বারা কোনও রাজনৈতিক দলের ভালো করার চেষ্টা করেননি। তিনি হলেন, আগে ছবিটি দেখুন, মুক্তি পাক। তারপর এমন মন্তব্য করতে বলেন। তিনি আরও বলেন, ছবিটি নির্বাচন ঘিরে মুক্তি পাবে কি না সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন তিনি। তবে, সাফ কথায় বলেন তার সঙ্গে ছবির ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক দলেরও সম্পর্ক নেই। এটা ইন্দিরা গান্ধির জীবনের গল্প। জীবনে যা কিছু খারাপ বা ভালো সব তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি বলেন, একজন নারী তাঁর নিজের অধিকারে প্রতিনিধি। এটা ধরে নেওয়া ভুল যে কোনও রাজনৈতিক দলকে আমি ভুল আলোতে দেখাব।
তিনি আরও বলেন, যখন তিনি এই ছবির জন্য রিসার্চ করা শুরু করেন, তখন জানতে পারেন কীভাবে ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে ঠাট্টা করেছিল এউএসএ-র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন। কিন্তু, মোদি ধৈর্য ও ভালোবাসা দিয়ে সব সামলেছে। এ কারণে তিনি গর্বিত।
জুন মাসের শেষ দিকে মুক্তি পেয়েছিল ছবির টিজার। সেখানে পরনে কালো রঙের শাড়ি। চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। গলায় রুদ্রাক্ষের মালাতে কঙ্গনাকে দেখা গিয়েছিল টিজারের শুরুতে দেখা যাচ্ছে ২৫ জুন ১৯৭৫। তারপরই দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু সাধারণ মানুষ পুলিশকে ঢিল ছুঁড়ছে। এরপরই বোঝা যাচ্ছে এটি সংবাদপত্রের ছবি। হেডলাইনে লেখা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
১৯৭৫ সালের জুন মাস থেকে ১৯৭৭ সালের ২১ শে মার্চ পর্যন্ত একটানা ২১ মাস ভারতে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। সেই সময় জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। সেই পটভূমিতে তৈরি এমার্জেন্সি। এই ছবির টিজার প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে শোনা গিয়েছিল, অনুপম খেরের কন্ঠস্বর। জেলবন্দি বিরোধী দলনো তিনি। তাঁকে বলতে শোনা গেল, ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারময় অধ্যায় এটি। এটা সরকার রাজ নয়, অহঙ্কার রাজ। এটা আমাদের নয়, এই দেশের মৃত্যু। তারপর ইন্দিরা গান্ধী কছা। তিনি বললেন, এই দেশকে রক্ষা করা থেকে আমাকে কেউ রুখতে পারবে না। কারণ ইন্ডিয়া মানেই ইন্দিরা, আর ইন্দিরা মানেই ইন্ডিয়া। ...
