
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতবিরোধী শক্তির মদতেই দেশে ক্রমশ প্রভাব বাড়াচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)! এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের একাধিক রাজনীতিবিদ অভিজিৎ দীপক ও আশুতোষ রাঙ্কার মতো ব্যক্তিদের আর্থিক মদত জোগাচ্ছেন। শুধু অভিযোগ তুলেই থেমে থাকেননি তিনি, এই দাবির স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিদেশি অর্থের জোরেই ভারতে অস্থিরতা ও অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সিজেপি।
বেঙ্গালুরুতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জিতেন্দ্র বলেন, “আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ককরোচদের অর্থ জোগাচ্ছ ভারতবিদ্বেষী সংস্থাগুলি। দেশের ভিতরে এবং বাইরে থাকা এধরনের সংস্থাগুলি বিদেশ থেকে অর্থ নিচ্ছে। তারপর দেশের মধ্যে ডিপ স্টেট এবং ভারতবিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। অভিজিৎ দীপকে মার্কিনদের থেকে অর্থ নিচ্ছে, আশুতোষ রাঙ্কাকে অর্থ দিচ্ছে পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা।” উল্লেখ্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের সময় থেকেই প্রশ্ন উঠছিল ককরোচদের তহবিল নিয়ে। কিন্তু স্পষ্ট উত্তর মেলেনি।
জিতেন্দ্রর পর সিজেপিকে বিঁধে মুখ খুলেছেন বিজেপি মুখপাত্র তুহিন এ সিনহা। তাঁর কথায়, উৎসবের মরশুমে রাজধানীতে অরাজকতা ছড়ানোটাই ছিল ককরোচদের উদ্দেশ্য। সেটা অবশ্যই অসাধু উদ্দেশ্যে। উল্লেখ্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের অধিকার সরিয়ে নেওয়ার পরদিনই সেখানে ঢুকে পড়েছিলেন আশুতোষ এবং সৌরভ দাস। তাঁদের সাত দিন জেলে রাখা হয়। একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে দুই ককরোচ নেতার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ফের তাঁদের ডাকা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তার আগেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
স্রেফ ককরোচ নয়, কংগ্রেসকেও একইভাবে আক্রমণ করেছে গেরুয়া শিবির। তুহিনের কথায়, দেশের শক্তিশালী গণতন্ত্রকে বদনাম করতেই একযোগে পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস এবং সিজেপি। ঠিক একই সময়ে দুই দল কেন বিচারব্যবস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, সেই দেখে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন বিজেপি মুখপাত্র। যদিও কী প্রমাণ রয়েছে সেই নিয়ে কিছু বলেননি জিতেন্দ্র বা তুহিন। এমন বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে ককরোচরাও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সূত্রে খবর, দুই ককরোচ নাকি তদন্তে মোটেই সহযোগিতা করছেন না। তবে বিদেশি মদত নিয়ে সরকারিভাবে কোনও অভিযোগ আনেনি দিল্লি পুলিশ।
