
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত ১৯ জনের মধ্যে ছিলেন বিহারের মুজফফরপুরের বাসিন্দা এক বাবা ও তাঁর সাত বছরের ছেলে। এবার তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। মুজফফরপুরে ওই পরিবারের বাড়িতে গিয়ে আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিনিধি তথা পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই। মৃত অভিষেক শ্রীবাস্তব (৩৮) এবং তাঁর ছেলে অংশ শ্রীবাস্তবের (৭) পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৫০ লক্ষ টাকার দুটি চেক তুলে দেন তিনি। এদিন ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি মৃতের পরিবারের এক মহিলা সদস্যাকে ভিডিও কলের মাধ্যমে বলেন, “চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে অনেক আহতকেই রাজ্য সরকার বাঁচিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আপনাদের পরিবারের সদস্যকে আমরা বাঁচাতে পারিনি। এটা আমাদের হাতে ছিল না।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “এই দুর্ঘটনায় সরকারের কিছু দায়িত্ব থাকে। আপনাদের পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার রয়েছে। আমি রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাইকে পাঠিয়েছি। উনি আপনাদের হাতে রাজ্য সরকারের তরফে ২৫ লক্ষ টাকা করে দু’টি চেক তুলে দেবেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর তরফেও আর ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য পাবেন আপনারা।”
এদিন মৃতের পরিবারের তরফে বিহার সরকারের সঙ্গে কথা বলে অভিষেকের পরিবারের কাউকে একটি চাকরি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভিডিও কল মারফত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “এক্ষেত্রে সরকারি চাকরি পেতে গেলে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সরকারি নিয়োগের আইন অনুযায়ী ডোমেসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা যাঁরা এখানে মারা গেছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে সেই ডোমেসাইল সার্টিফিকেট পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আপনাদের ক্ষেত্রে সেটা কী করা যায় তা আমি ওখানকার বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলে দেখছি। পশ্চিমবঙ্গের সরকার সবরকমভাবেই আপনাদের পাশে থাকবে।’’ এদিকে এদিন উমেশ রাইও ভিডিও কলের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, ‘‘আমি এখানকার বিধায়ক ও স্থানীয় বিজেপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এই পরিবারের পাশে থাকার জন্য এঁদের সবরকম আশ্বাস দিয়েছি।”
উল্লেখ্য, ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো প্রত্যেকের পরিবার সদস্যদের আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি সরকারি চাকরির কথা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু বিহারের বাসিন্দা অভিষেকের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে দুর্ঘটনায় প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে। তাঁরা তদন্ত করছে। তিনমাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার কথা রয়েছে। তা বিধানসভায় পেশ করা হবে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোনও দোষীকে ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়েছেন তিনি।
চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহত মুজফ্ফরপুরের বাবা ও ছেলের পরিবারের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা করে দুটি ক্ষতিপূরণের চেক পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় কলকাতার চোরবাগানে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ১৯ জনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১৭ জনের শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত শুভেন্দু অধিকারী স্বয়ং উপস্থিত থেকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দিয়েছিলেন। একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন বিহারের মুজফ্ফরপুরের একই পরিবারের দু’জন সদস্য, বাবা ও ছেলে। তাঁদের অকালপ্রয়াণে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার তাঁর মানবিক সংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। মৃত বাবা ও ছেলের পরিবারের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৫০ লক্ষ টাকার দুটি ক্ষতিপূরণের চেক মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পক্ষ থেকে আমার হাতে পাঠিয়েছেন, যাতে তা শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। একই পরিবারের দুই সদস্যকে হারানোর বেদনা অপরিসীম। এই দুঃসময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও জনসেবার প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। माननीय मुख्यमंत्री श्री सुवेंदु अधिकारी जी ने अपनी संवेदनशीलता और मानवीय दृष्टिकोण का एक बार फिर परिचय दिया है। कोलकाता के चोरबागान में हुई हृदयविदारक दुर्घटना में जान गंवाने वाले 19 लोगों में से पश्चिम बंगाल के 17 मृतकों के परिजनों को जिस प्रकार उन्होंने स्वयं उपस्थित होकर आर्थिक सहायता प्रदान की थी, उसी प्रकार इस दुर्घटना में जान गंवाने वाले बिहार के मुजफ्फरपुर निवासी एक ही परिवार के पिता एवं पुत्र के परिजनों की सहायता के लिए भी आगे आए हैं। शोकाकुल परिवार के लिए मुख्यमंत्री जी ने 25-25 लाख रुपये के दो मुआवजा चेक, कुल 50 लाख रुपये की आर्थिक सहायता, मेरे हाथों भेजे हैं। उन्होंने परिवार के सदस्यों से बातचीत कर अपनी गहरी संवेदनाएं व्यक्त की हैं और इस कठिन समय में उनके साथ खड़े रहने का संकल्प व्यक्त किया है। एक ही परिवार के दो प्रिय सदस्यों को खोने का दुःख शब्दों में व्यक्त नहीं किया जा सकता। इस अपूरणीय क्षति से आहत परिवार के प्रति मेरी हार्दिक संवेदनाएं हैं। ईश्वर दिवंगत आत्माओं को शांति तथा परिजनों को इस असहनीय दुःख को सहन करने की शक्ति प्रदान करें। दुःख की घड़ी में किसी के साथ खड़ा होना ही सच्ची मानवता और जनसेवा है। @narendramodi @SuvenduWB
— Umesh Rai (@UmeshRai_BJP) October 30, 2026
