
চামোলি, ১০ জানুয়ারি : চার দিকে ফাটলের কারণে যে কোনও মুহূর্তে তলিয়ে যেতে পারে জোশীমঠ। এই আতঙ্কের মধ্যে মঙ্গলবার ওই পবিত্র ভূমিতে ভেঙে ফেলা হবে বেশ কিছু নির্মাণ। প্রথম ভাঙা হবে জোশীমঠের ২টি বিলাসবহুল হোটেল। বিপর্যয়ের জেরে একে অপরের গায়ে হেলে পড়েছে ওই ২টি হোটেল। যার জেরে এলাকার বেশ কিছু বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।
‘মাউন্ট ভিউ’ ও ‘মালারি ইন’ নামে এই ২টি হোটেলই প্রথম ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন চামোলি জেলা প্রশাসন। এই প্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি আর মীনাক্ষী সুন্দরম বলেছেন, ‘‘ওই দুই নির্মাণ যন্ত্রের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হবে।’’
ওই ২টি হোটেল রয়েছে জনবহুল এলাকায়। ফলে হোটেল দু’টি ভাঙা হলে যাতে আশপাশের এলাকায় কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকে জোর দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রুরকির সেন্ট্রাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের একটি দল ওই দুই হোটেলে সমীক্ষা চালিয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দলকে। হোটেলগুলি ভাঙার আগে এলাকা খালি করা হয়েছে।
জোশীমঠ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা বলেছেন, ‘‘নির্মাণগুলিতে সমীক্ষা চালানোর কাজ চলছে। বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রয়োজনে আরও অনেক নির্মাণ ভাঙা হবে।’’ এই প্রেক্ষাপটে সোমবার ১০০টিরও বেশি বাড়িতে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার জোশীমঠে আরও ৬৮টি বাড়িতে নতুন করে ফাটল দেখা গিয়েছে। যার জেরে মোট ৬৭৮টি বাড়িতে ফাটল তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নিরাপদে সরানো হয়েছে আরও ২৭টি পরিবারকে।
