
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ গত রবিবার প্রকাশিত হয়েছে চার রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল। সোমবার মিজোরামে ফলাফল ঘোষণার পালা। আজই জানা যাবে মানুষের রায়। মিজোরামে ক্ষমতা ধরে রাখতে আশাবাদী মিজো ন্যাশানাল ফ্রন্ট। ৪০টি আসনবিশিষ্ট মিজোরামে কংগ্রেসও তাদের ফলাফল নিয়ে আশাবাদী।
গত বিধানসভা নির্বাচনে মিজো ন্যাশানাল ফ্রন্ট (MNF) জয়ী হয় ২৬টি আসনে। MNF-এর সঙ্গে জোট রয়েছে BJP-র। কংগ্রেস অবশ্য মিজোরামকে টার্গেট করে বিস্তর প্রচার চালিয়েছিল। পাশাপাশি আসরে নেমেছে জোরাম পিপলস মুভমেন্ট নামক দলও। ZPM-ই এখন সেখানে প্রধান বিরোধী দল।
মিজোরামের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছেন ১৭৪ জন। প্রধান পাঁচ দলের প্রার্থী ছাড়াও নির্দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ২৭ জন। মিজোরামে ভোটদান করেছেন ৮,৫৬,৮৬৮ জন। সেখানে MNF, ZPM এবং কংগ্রেস সবকটি কেন্দ্রেই প্রার্থী দিয়েছেন। অন্যদিকে, আলাদা করে লড়াই করেছে BJP। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজেজু ভোটের আগে বলেন, 'BJP এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে ৩৯টি আসনে লড়াই করলেও এবার প্রার্থী দিয়েছে ২৩ আসনে। এছাড়াও আম আদমি পার্টিও লড়াই করছে চারটি আসনে।'
মিজোরামে আইজল পূর্ব ১থেকে লড়াই করছেনন মুখ্যমন্ত্রী জোরামাথাঙ্গা। এছাড়াও প্রার্থী হয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী তাওনতুইয়া, ড. আর লালথানগালিনিয়া।
চলতি বছর মিজোরাম বিধানসভা নির্বাচনে একটি অন্যতম ইস্যু ছিল মণিপুরের ঘটনা। সেই সময় মণিপুর থেকে বহু মানুষ মিজোরামে চলে এসেছিলেন। সংখ্যাটা প্রায় ১৩ হাজারের কাছাকাছি। মিজোরামের বিধানসভা নির্বাচনে মণিপুরের ঘটনার প্রভাব পড়তে পারে বলে মতামত রাজনৈতিক মহলের।
এবার মিজোরামে দুর্নীতি মুক্ত সরকার গড়ার ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। চাকমা থেকে শুরু করে মারা এবং অন্যান্য জাতির সার্বিক উন্নয়নের কথা শোনা গিয়েছে তাঁদের কণ্ঠে।
অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের কথা বলে পালটা সুর চড়িয়েছিল কংগ্রেসও। সেখানে এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কংগ্রেস। রবিবারই রবিবার, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড়ের সঙ্গে মিজোরামের ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছিল। কিন্তু, রবিবার ভোট গণনা হয়নি। কারণ সেখানে ৯৭ শতাংশ মানুষই খ্রীষ্টান এবং রবিবার তাঁদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র দিন। সেই দিন তাঁরা প্রার্থনা করেন। আর সেই কারণেঅ এই দিনটিতে ভোট গণনা নিয়ে আপত্তি জানায় কিছু রাজনৈতিক গল। এরপর গণনা পিছিয়ে সোমবার করা হয়।
