
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রাডার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষায় সাফল্য পেল ভারতের ‘প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা’ (DRDO)। ওড়িশার চাঁদিপুর উপকুলে রুদ্রম-২ (Rudram II)-এর সফল উৎক্ষেপণে শুভেচ্ছা জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।অ্যান্টি র্যাডিয়েশন সুপারসনিক এই মিসাইল সুখোই ৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তাতেই সাফল্য পেয়েছে ভারত। চিন বা পাকিস্তানের যে কোনও র্যাডার এক পলকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এই মিসাইল।
রুদ্রম-১ এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চার বছর আগেই করা হয়েছিল। এবার রুদ্রম ২ নিয়ে গর্ব বোধ করবে ভারতবাসী। ডিআরডিও জানিয়েছে, যে যে বিষয়ে এই মিসাইল পরীক্ষা করা হয়েছে তার সবকটিতে সফল হয়েছে এটি। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আছড়ে পড়া, লক্ষ্যমাত্রা স্থির রাখা, প্রপালশন সিস্টেম সহ একাধিক পরীক্ষা করা হয়েছে এই মিসাইলের। শত্রু শিবিরের রাডার, ট্র্যাকিং সিস্টেম ধ্বংস করতে পারদর্শী এই মিসাইল।
এই নতুন আগ্নেয়াস্ত্রের সফল পরীক্ষা নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ''এটা দেশের জন্য বিরাট সাফল্য।'' দেশও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে পরনির্ভরতা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ফেলছে এবং এখন থেকে আরও বেশি স্বনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে বলেও মনে করছেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারত রাশিয়ার তৈরি অ্যান্টি র্যাডিয়েশন মিসাইল 'কেএইচ ৩১' ব্যবহার করছে। 'রুদ্রম ২' এবার সেই মিসাইলের জায়গায় আসতে চলেছে।
ডিআরডিও-র তরফে জানানো হয়েছে, আকাশ থেকে নিক্ষেপ করা এই মিসাইল নানা দিক থেকে শত্রুঘাঁটির একাধিক সিস্টেমকে নিমেষে তছনছ করে দিতে পারে। ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি রেঞ্জ রয়েছে এর, শত্রু পক্ষের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এবং র্যাডার থেকে সংকেতও নিতে পারে এই মিসাইল। একই সঙ্গে, নিদিষ্ট কোনও উচ্চতা নয়, 'রুদ্রম ২' বিভিন্ন উচ্চতা থেকে নিক্ষেপ করা যেতে পারে।
