
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ জাপানি মিয়াজাকি আমাকে বলা হয়,'সূর্যের ডিম'। এ বছর মালদার কৃষি দপ্তর জাপান থেকে অনেক মিয়াজাকি আমার চারা আমদানি করেছে। কৃষি বিজ্ঞানীরা আশা করছেন,২০২৪ সালেই সেই আমার ফলন পাওয়া যাবে। যদিও এর আগে কোনো কোনো রাজ্য নিজেদের উদ্যোগেই মিয়াজাকি আমের ফলন শুরু করেছিল। মধ্যপ্রদেশে এই আমের দাম প্রতি কেজি প্রায় ২০,০০০ টাকা। ১ কেজিতে প্রায় ৫টি আম পাওয়া যায়। আমরা যদি দাম অনুযায়ী দেখি, তাহলে ১টি আমের দাম ৪ হাজার টাকা। এটি একটি জাপানি জাতের আম। জাপানের মিয়াজাকি সিটিতে জন্মানো এই আমগুলিকে তাদের উজ্জ্বল রঙ এবং ডিমের আকৃতির কারণে "সূর্যের ডিম" বলা হয়। এগুলি সাধারণত এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে জন্মায় এবং পাকলে আম বেগুনি থেকে লাল রঙের হয়ে যায়।
জাপানের এই প্রজাতির আম স্বাদে ও গন্ধে অপূর্ব। তবে ভারতের কৃষকরাও এই আমের চাষ করছেন। কোটার কৃষক শ্রীকিষাণ সুমন মরুভূমিতে মিয়াজাকি আমের চারা রোপণ করেছেন। গত ৫ বছর ধরে তিনি মিয়াজাকি আমের চাষ করছেন। এখনও পর্যন্ত শ্রীকিষাণ ৫০টি গাছ বিক্রি করেছেন এবং ১০০টি গাছের অর্ডার রয়েছে৷ তিনি বলেন, জাপানের মতো স্বাদ ও গন্ধ আনতে গেলে দেশে কৃষি বিজ্ঞানের আরো গবেষণা দরকার।
সংবাদ সূত্রে জানা যাচ্ছে,মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে 'মিয়াজাকি' আমের চাষও করেছেন এক কৃষক। গত বছর তিনি ২টি গাছ রক্ষার জন্য ৩ জন নিরাপত্তারক্ষী এবং ৬টি কুকুরও রেখেছিলেন। মিয়াজাকি' আমের বিশেষত্ব 'মিয়াজাকি' আমের গড় ওজন প্রায় ৩৫০ গ্রাম। এতে মিষ্টির পরিমাণ সাধারণ জাতের আমের তুলনায় ১৫% বেশি। এই ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন এবং ফোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। বেগুনি রঙের এই আম এখন বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড এবং ফিলিপিন্সেও জন্মায়। সাধারণত, একটি মিয়াজাকি আমের দাম সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। কিন্তু ২০২১ সালে জাপানে ২.৭ লক্ষ টাকায় ২টি আম নিলাম করা হয়েছিল। এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আমের দাম।
