
ইটানগর, ১৮ মে: অরুণাচল প্রদেশের পাক্কে টাইগার রিজার্ভে নিরাপত্তাজনিত টহলদারী বাড়ানো হয়েছে। অতি সম্প্রতি চোরাশিকারিদের আনাগোনায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বন বিভাগের কর্মীরা পাক্কে টাইগার রিজার্ভ, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের কোর জোন এবং প্রান্তিক অঞ্চলে নৈশ টহল অভিযান জোরদার করেছেন। অতি সম্প্রতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের কোর জোনে চোরাশিকারিরা আনাগোনা শুরু করেছে। চোরাশিকারিদের হাত থেকে ব্যাঘ্র সহ বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে রিল্লোহ রেঞ্জ ফরেস্ট অফিসার তালো দিবো জানান, গত ১৫ মে তাঁর রেঞ্জ (রিল্লোহ) অফিস থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে তাকোসিনি জলাশয়ে অবৈধভাবে ব্যাঙ সংগ্রহ করতে আসে চার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি।
এই দলটি আজকাল এলাকার বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে মাছ, ব্যাঙ সহ বন্যপ্রাণী শিকার করতে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু সজাগ বনকর্মীদের জন্য তারা তাদের অসৎ কার্য সম্পাদন করতে পারছিল না। অবশেষে ওই সব চোরাশিকারিদের হাত থেকে বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষীদের নিয়ে নৈশ টহলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি, জানান রেঞ্জ ফরেস্ট অফিসার তালো দিবো।
তালো দিবো বলেন, গতকাল রাতে টহলদারী দল চোরাশিকারিদের মুখোমুখি হয়েছে। চোরাশিকারিরা একটি পয়েন্ট (.) ২২ রাইফেল এবং একটি ১২ বোরের এসবিবিএল বন্দুক নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করেছিল। তাদের মোকাবিলা করতে গেলে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চোরাশিকারিরা গভীর জঙ্গলে গা ঢাকা দিতে সক্ষম হয়। তবে তারা পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি স্থানীয় ব্যাকপ্যাক, দুটি ছুরি, ১২ বোরের এসবিবিএল বন্দুকের তিনটি সক্রিয় গুলি এবং একটি রোস্টেড জায়ান্ট ব্ল্যাক স্কুইরেল।
রেঞ্জ ফরেস্ট অফিসার তালো দিবো বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।’
