Breaking News
 
CJP Delhi Protest : ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি সিজেপির, যন্তরমন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা দিল্লি পুলিশের Rahul Gandhi: মোদি সরকারের অন্দরেই রাহুলের ২০০ ‘চর’! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি বিরোধী দলনেতার CM Suvendu Adhikari: জলাশয় পুনরুদ্ধারে জোর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ শুভেন্দুর, অগ্নিমিত্রা-শর্বরীর প্রশংসা CJI Surya Kant: ‘স্মারকলিপি জমা দিতে বৈঠক নয়’, INDIA জোটকে কেন ফিরিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট? স্পষ্ট বার্তা CJI-এর Strait of Hormuz: হরমুজে ফের অশান্তি, ড্রোন হামলার পর নিখোঁজ ২ ভারতীয় নাবিক, অবিলম্বে হামলা বন্ধের দাবি দিল্লির Abhishek Banerjee: ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে পুলিশের নোটিসেও সাড়া নেই, অভিষেকের বাড়িতে ফের হাজির পুলিশ

 

Country

51 minutes ago

Rahul Gandhi: মোদি সরকারের অন্দরেই রাহুলের ২০০ ‘চর’! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি বিরোধী দলনেতার

Congress leader Rahul Gandhi
Congress leader Rahul Gandhi

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অন্দরে তাঁর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন অন্তত ২০০ জন আধিকারিক! সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত ওই আধিকারিকদের কাছ থেকেই সরকারের নানা বিষয়ে তথ্য পান তিনি। পাশাপাশি, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের বর্তমান অবস্থানকে সঠিক বলে মনে করেন বলে দাবি করেছেন রাহুল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। 

সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাহুল গান্ধী সুর চড়ান ভোট চুরি, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার মতো একাধিক ইস্যুতে। সেই নিয়ে কথা বলতে গিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “মোদিজি আপনি শুনলে চমকে যাবেন। আমি বলছি, আপনার সরকারের অন্তত ২০০জন আধিকারিক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ইডি, সিবিআই, বিদেশমন্ত্রক-সমস্ত জায়গা থেকেই আমরা খবর পাচ্ছি। আপনার যা খুশি করুন, কিন্তু সত্য আমাদের সঙ্গে রয়েছে।” 

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইন্ডি জোট, ককরোচ জনতা পার্টি সকলেই পথে নেমেছে, বিক্ষোভ কর্মসূচি করছে। অভিযোগ, সেই কর্মসূচিতে ব্যাপক দমনপীড়ন চালাচ্ছে পুলিশ। এমনকি রাহুল নিজেও পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন। কিন্তু সোমবারের সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল বলেন, “পুলিশকর্মীদের ৫০ শতাংশই আমাদের জানিয়েছেন যে আমরা যা করছি একেবারে ঠিক করছি। সেটাই চালিয়ে যাওয়া উচিত। আসলে পুলিশ, আইটিবিপি, সিআরপিএফ এবং দেশের মানুষ সকলেই একদিকে রয়েছেন। উলটোদিকে ভোটচুরি এবং দেশ হাইজ্যাকের কারিগররা আছে।”

শনিবারের আন্দোলনে ব্যাপক ধড়পাকড় প্রসঙ্গেও রাহুল বলেন, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছে, অথচ গোটা দিল্লিকে জেলখানা বানিয়েছে ওরা। মোদি সরকার বিরাট ভুল করছে। এরপরই ব্যঙ্গ করে বলেন, ‘আমরা চাই জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে ২০-৩০ হাজার পুলিশ নামাক ওরা। গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন জমাট বাঁধতে শুরু করেছে। ওঁরা যত বেশি প্রতিরোধ করবে। আমরা ততই ওঁদের নিয়ন্ত্রকের কাছে পৌছব।’ রাহুলের মতে, রাজনৈতিক দল হোক বা অরাজনৈতিক ছাত্র জমায়েত-সকলেই সুর চড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

You might also like!