
নয়াদিল্লি: অহিংসা ও শান্তি ভারতের সংস্কৃতি, জোর দিয়ে বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, "অহিংসার মূল্যকে আমাদের দুর্বলতা বলে মনে করার ভুল কারও করা উচিত নয়। অহিংসা ও শান্তি আমাদের সংস্কৃতি; কিন্তু দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও সম্মান রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।" রাজনাথ বলেন, "জৈন ধর্মকে যদি একটিমাত্র শব্দে ব্যাখ্যা করতে হয়, তবে তা হবে ‘পূর্ণাঙ্গ’। জৈন ধর্ম কেবল একটি ধর্মই নয়, বরং জীবনকে অনুধাবন ও অর্থবহভাবে যাপনের এক সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি।"
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার জৈন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য কাজ করেছে বলেও জানান রাজনাথ সিং। এক অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আমাদের সরকার ভারতের জৈন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্যও কাজ করেছে। আমি এমনটা দাবি করছি না যে কেবল আমরাই সবকিছু করেছি; আমরা কেবল আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, একসময় চুরি হয়ে যাওয়া শ্রদ্ধেয় তীর্থঙ্করদের ২০টিরও বেশি মূর্তি বিদেশ থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ভগবান মহাবীর তাঁর বাণী প্রচারের জন্য প্রাকৃত ভাষা বেছে নিয়েছিলেন। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আমাদের সরকার প্রাকৃত ভাষাকে 'ধ্রুপদী ভাষা'র মর্যাদা প্রদান করেছে। নতুন সংসদ ভবন নির্মাণের সময় প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছিলেন যেন সেখানে জৈন ধর্মের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশেষ স্থান দেওয়া হয়। নতুন সংসদ ভবনের স্থাপত্য বিষয়ক গ্যালারিতে 'সম্মেদ শিখর'-এর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। লোকসভার প্রবেশপথে একজন শ্রদ্ধেয় তীর্থঙ্করের মূর্তি স্থাপিত রয়েছে। সংবিধান গ্যালারির ছাদ সুশোভিত করা হয়েছে ভগবান মহাবীরের একটি চিত্রকর্ম দিয়ে। দক্ষিণ ভবনের দেওয়ালে সকল তীর্থঙ্করের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হয়েছে—এবং এগুলো কেবল স্থির চিত্র নয়, এগুলো যেন 'কথা বলা' জীবন্ত চিত্র।"
