
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ইতিমধ্যেই গুজরাতের আমদাবাদের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম বদলে নরেন্দ্র মোদীর নামে করা হয়েছে। গুজরাত সরকার উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়াদের ট্যাবলেট দেওয়ার লক্ষ্যে হাতে নিয়েছে নমো ট্যাবলেট যোজনা। এ বার দ্রুতগামী ট্রেনের মাধ্যমে কম দূরত্বের শহুরে পথকে বাঁধতে হাতে নেওয়া পরিকল্পনার নাম রাখা হল নরেন্দ্র মোদীর নামে। যা এত দিন আরআরটিএস বা র্যাপিড এক্স নামেই পরিচিত ছিল।
আজ উত্তরপ্রদেশের সাহিবাবাদ থেকে দুহাই ডিপো পর্যন্ত পরিষেবা শুরু হয়। দিল্লি থেকে মিরাট পর্যন্ত মোট ৮২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কাজ আগামী দেড় বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘‘বিভিন্ন শহরগুলির মধ্যে যোগাযোগের লক্ষ্যে ওই আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এই পরিষেবা দেশের উন্নয়নে আগামী দিনে উল্লেখজনক ভূমিকা নেবে।’’ এই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে চালু হলে মিরাট থেকে ট্রেনের মাধ্যমে মাত্র এক ঘণ্টায় রাজধানী পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে। এই ব্যবস্থার হাত ধরে আগামী দিনে জাতীয় রাজধানী এলাকার পরিধি আরও বিস্তৃত হতে চলেছে।
ওই পরিষেবার নাম প্রধানমন্ত্রীর নামে করার যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার আজ তার সমালোচনায় সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। দলের রাজ্যসভা সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেন, ‘‘নমো স্টেডিয়ামের পরে এ বার নমো ট্রেন। আত্মমগ্নতার চূড়ান্ত।’’ সম্প্রতি বিরোধী দলগুলি নিজেদের জোটের নাম ইন্ডিয়া রাখায় দেশের নাম পাল্টে ভারত রাখার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। আজ সেই প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেড়া বলেন, ‘‘কেন ভারত নাম দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের নাম পাল্টে নমো করে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলা হোক।’’
প্রসঙ্গত, কংগ্রেস জমানায় সরকারের সব প্রকল্পের নাম প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা ও রাজীব গান্ধীর নামে করার এক সময়ে তুমুল সমালোচনা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী-সহ বিজেপি নেতারা। এখন সেই নরেন্দ্র মোদী কেন ওই পথে হাঁটছেন তা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।
