
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ চলতি বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মোদী সরকারের ভারত সংকল্প যাত্রা। কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলির বিষয়ে আমজনতাকে আরও বেশি অবগত করতে চালু হয়েছিল এই প্রকল্প। গোটা দেশে ব্যাপক সারা ফেলে দিয়েছে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা। প্রচুর মানুষ, বিশেষ করে প্রান্তিক এলাকার মানুষজন ইতিমধ্যেই এর সুবিধাও পেয়েছেন।
আজ, বুধবার বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা থেকে উপকৃত নাগরিকদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভিডিয়ো কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে মিশে গেলেন নমো। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “এই অভিযান লাগাতার বেড়ে চলেছে। প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে। গরিবরা উপকৃত হচ্ছেন। যুব সমাজ থেকে শুরু করে মহিলা এবং বর্ষীয়ান নাগরিকরা, সকলেই মোদীর গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে থাকছেন। এই মহান অভিযানকে সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাই।”
বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার সাফল্য তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী গ্রামের কৃষকদের কথাও বললেন। জানালেন, যখনই বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার গাড়ি গ্রামে পৌঁছাচ্ছে, তখন কৃষকরা ক্ষেতের কাজকর্ম ফেলে রেখেও সেই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “গ্রামে গ্রামে একটি বিশাল বিকাশের মহোৎসব চলছে। এখনও ৫০ দিনও হয়নি বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা শুরু হয়েছে, কিন্তু এর মধ্যেই লাখ লাখ গ্রামে পৌঁছে গিয়েছে এই উদ্যোগ।”
দেশকে বিকাশের পথে নয়া শিখরে এগিয়ে নিয়ে যেতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক প্রকল্প ও কর্মসূচি চালু করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষরা সেই শুধুমাত্র সেই প্রকল্পগুলি না জানার কারণেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। আজ প্রধানমন্ত্রীও বললেন, যে মানুষটি কোনও কারণ বশত কেন্দ্রের সুবিধা এখনও পাননি, তাঁর কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। স্পষ্ট জানালেন, “আমি এই গাড়ি গ্রামে গ্রামে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছি, কারণ আমি জানিয়ে দিতে চাই, এখানে কোনও ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার ব্যাপার নেই। কোনও পরিবারতন্ত্র নেই। যাঁরা এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি সুবিধা পাননি, আমি তাঁদের খুঁজছি। সেই কারণেই এই উদ্যোগ।”
প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথায়, এই সংকল্প যাত্রার গাড়ি যেখানে যেখানে যাচ্ছে, সেখানেই স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ভরসা বেড়ে যাচ্ছে, তাঁদের আশা পূরণ হচ্ছে। এই সংকল্প যাত্রা শুরুর পর থেকে উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনায় সাড়ে ৪ লাখ নতুন আবেদন জমা পড়েছে।
