
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ এথিক্স কমিটিতে ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নে’র অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার হাজিরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।হাজিরা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে দেখা গেল তিন-তিনটি ব্যাগ, চোখ ঢাকা ছিল রঙিন সানগ্লাসে। মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ এবং দামি-দামি উপহারের বিনিময়ে তিনি তাঁর সংসদীয় ইমেইল ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ীকে। হিরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া প্রশ্নই করেছেন সংসদে। এই দামি উপহারের মধ্যে বরাবরই চর্চায় থাকে মহুয়া মৈত্রর হাতব্যাগ। লুই ভ্যুতো-র মতো বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের ব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর ব্যাগ, সানগ্লাস নিয়ে চর্চার মধ্যে, তিনটি হাতব্যাগ হাতে তাঁর এথিক্স কমিটির সামনে হাজিরা দেওয়া, এক প্রকার বিবৃতি বলে মনে করা হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর পোস্ট করা এক ভিডিয়োতে মহুয়া মৈত্রকে লাল শাড়ি এবং সানগ্লাস পরে সংসদের ভিতরে হাঁটতে দেখা গিয়েছে। তাঁর হাতে তিনটি ব্যাগ ছিল। একটি ছিল ল্যাপটপ ব্যাগ। সম্ভবত ল্যাপটপে নিজের দাবির সাপেক্ষে প্রমাণ এনেছেন। অপরটি একটি টিফিন ব্যাগ, মহুয়া মৈত্রকে এর আগে এই ধরণের ব্যাগে পানীয় জলের বোতল বহন করতে দেখা গিয়েছে। আর ছিল একটি দামী ডিজাইনার হাতব্যাগ। এটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ‘লুই ভ্যুতো’র। এর আগেও এই ব্যাগটি নিয়ে সংসদে এসেছেন তৃণমূল সাংসদ এবং সেই দামি ব্যাগ নিয়ে বিতর্কও হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরই, মহুয়াকে লুই ভ্যুতোর হাতব্যাগটি নিয়ে সংসদে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছিল জোর চর্চা। জানা গিয়েছিল, ব্যাগটির দাম ২৫০০ মার্কিন ডলার বা ২ লক্ষ টাকারও বেশি। বিজেপি নেতা শেহজাদ পুনাওয়ালাকে তাঁকে ফ্রান্সের শেষতম রানী মেরি আঁতোয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
মহুয়ার ওই হাতব্যাগ গুলিও দর্শ হিরানন্দানির ‘উপহার’ কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে। মহুয়ার দাবি, হিরানন্দানি তাঁকে বন্ধু হিসেবে একটি স্কার্ফ, কিছু লিপস্টিক এবং আইশ্যাডোর মতো কিছু মেকআপের পণ্য দিয়েছিলেন। মেকাআপ পণ্যগুলি কেনা হয়েছিল দুবাইয়ের শুল্ক-মুক্ত দোকান থেকে।
