Breaking News
 
West bengal Assembly Election: ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মমতা বনাম শুভেন্দু, ২০২৬-এর রাজনৈতিক মহারণে শেষ পর্যন্ত নজর কাড়ল কে? West Bengal Assembly Election Result 2026: বাঙালিয়ানা ভরপুর, ধুতি -পাঞ্জাবির সাজে দিল্লির মঞ্চে মোদী, বাংলার জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসল বিজেপি শিবির Suvendu Adhikari Reacts: ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর’, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু, তৃণমূলকে হটিয়ে প্রথমবার ক্ষমতায় গেরুয়া শিবির সরকারি কাগজপত্র সংরক্ষণে কঠোর বার্তা, নথি সরানো যাবে না—মুখ্যসচিবের নির্দেশ Nawsad Siddique: পরিবর্তনের বাংলায় ভাঙড়ে বাজিমাত নওশাদের, আসন বদলে বিপর্যয় শওকতের West Bengal Assembly Election Result 2026: মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এগিয়ে থাকা—কারণ ব্যাখ্যা করলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

TMC: তৃণমূলের মিছিলে স্কুলপড়ুয়ারা কেন, অভিযোগ উঠতেই জয়নগরে তুমুল রাজনৈতিক তরজা

TMC
TMC

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা নির্বাচনের মরশুমে মিছিল–মিটিং, সভা–সমাবেশ, পদযাত্রা–রোড শো হবে সেটাই দস্তুর। কিন্তু এসবের মধ্যে স্কুল পড়ুয়ারা থাকবে কেন?‌ এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে স্কুল পড়ুয়াদের হাঁটানো হয়েছে বলে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে ভাঙড় ১ ব্লকে বিশাল মিছিল হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল থেকে শুরু করে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা এবং অন্যান্যরা। ওই মিছিলে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজশ্রী–সহ নানা সরকারি প্রকল্পের মডেল তুলে ধরা হয়। আর তাতেই একাধিক স্কুলের পড়ুয়ারা সোমবার সামিল হয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ মানতে চায়নি।

এই অভিযোগ সঠিক না বেঠিক তা এখনও প্রমাণিত হয়নি। তবে অভিযোগ উঠতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা লোকসভা নির্বাচনের মরশুমে ইস্যু তৈরি করছেন। এই বিষয়ে সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তুষার ঘোষ বলেন, ‘‌রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্প তো তৃণমূলের পৈতৃক সম্পত্তি হতে পারে না। সাধারণ মানুষের করের টাকায় তা তৈরি। তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে না গেলে প্রকল্প থেকে নাম বাদ পড়বে। এই ভয় দেখিয়ে মিছিলে আনা হচ্ছে। তবে এই তীব্র গরমে স্কুল পড়ুয়াদের মিছিলে আনার তীব্র বিরোধিতা করছি।’‌

নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার সময় গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট ভাষায় বলা ছিল, নির্বাচনের কোনও কাজে স্কুল পড়ুয়া এবং শিশুদের ব্যবহার করা যাবে না। সেখানে এমন অভিযোগ ওঠায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাই আইএসএফের জেলা সভাপতি আবদুল মালেক বলেছেন, ‘‌অনুদান দিয়ে সবাইকে বোকা বানানোর রাজনীতি চলছে। স্কুল পড়ুয়াদের মিছিলে হাঁটানো বড় অপরাধ। এখন থেকেই পড়ুয়াদের মনে রাজনীতি ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এখন সাধারণ মানুষ নেই। তাই স্কুলের বাচ্চাদের দিয়ে মিছিল ভরাচ্ছে।’‌

এই সুযোগ ছাড়েনি বিজেপি। তারাও রে রে করে নেমে পড়েছে। এই বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুনীপ দাসের বক্তব্য, ‘‌অমানবিক এই কাজের নিন্দা করছি। নেতারা নিজেদের বাচ্চাদের ঠাণ্ডা ঘরে রেখে, গরিব বাড়ির বাচ্চাদের মিছিলে নিয়ে আসছে। স্কুল পড়ুয়াদের মিছিলে হাঁটানো একেবারেই ঠিক নয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।’‌ সিপিএম–বিজেপিকে একহাত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার কথায়, ‘‌তৃণমূল কংগ্রেসের এত লোকের অভাব হয়নি, যে স্কুল পড়ুয়াদের মিছিলে আনতে হবে। তীব্র গরমের জেরে এখন সব স্কুলে ছুটি। আমাদের বিশাল মিছিলের মধ্যে টিউশন পড়ুয়ারা বাড়ি ফেরার পথে কেউ কেউ যদি ঢুকে পড়ে তার জন্য আমরা কী করতে পারি। আসলে বিরোধীরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।’‌


You might also like!