Breaking News
 
Abhishek Banerjee: হাই কোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি অভিষেকের, বিদেশযাত্রায় মিলল অনুমতি JPSC-JSSC protest: ‘দুর্নীতি নয়, স্বচ্ছ নিয়োগ চাই’, জলকামানের সামনে জেন জি-র প্রতিবাদে উত্তপ্ত রাঁচি Halisahar incident: স্বামীর মৃত্যুর সুবিচারের লড়াই, সন্তানদের ভবিষ্যৎ! শুভেন্দুর ‘রাজধর্মে’ মুগ্ধ নিহত কর্মীর স্ত্রী CM Suvendu Adhikari: ‘যেখানে খুশি যান, পুলিশকে সময়মতো জানাবেন, নিরাপত্তা পাবেন’, মমতার নিরাপত্তা নিয়ে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা Jharkhand Student Protest: ৯৮ শতাংশ দাবি পূরণের দাবি খারিজ! নিয়োগ অনিয়মের প্রতিবাদে বিধানসভা অভিযানে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা CM Suvendu Adhikari: হালিশহরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারকে আশ্বাস, আইসি-আইওর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর

 

West Bengal

2 years ago

Bardhaman : ‘ষোলো আনার পাঠশালা’-ই এখন ধ্যানজ্ঞান অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের

'Sholo Annar Pathshala'  (Collected)
'Sholo Annar Pathshala' (Collected)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আর্থিক অনটন যেন শিক্ষার দীপকে নেভাতে না পারে , এমনই এক মহৎ উদ্যোগ নিলেন অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুল শিক্ষক। অনেক ক্ষেত্রেই আর্থিক অনটন ও রুজিরুটির প্রয়োজনে অনেক শিশুকেই মাঝ পথে থামিয়ে দিতে হয় তাদের শিক্ষা, অথবা পারিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই অনেক শিশুকে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখতে বাধ্য হয় তার পরিবার। এমনই সব ছাত্রছাত্রীদের জন্য আশার প্রদীপ জ্বালিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুল শিক্ষক। আজ শিক্ষক দিবসে বাংলার এই মাস্টারমশাইয়ের অভূতপূর্ব কীর্তির কথা তুলে ধরব আপনাদের সামনে। 

পূর্ব বর্ধমানের কালনার সমীরণপ্রসাদ চক্রবর্তী। দুঃস্থ পরিবারের পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছাটা দানা বেঁধেছিল স্কুলে চাকরি করার সময় থেকেই। সেই মতো শিক্ষকতার জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরে সেই ইচ্ছেতেই উড়ান ভরে ফেললেন এই মানুষটি। নিজের বাড়িতেই খুলে বসেছেন “ষোলো আনার পাঠশালা”, অর্থাৎ ১ টাকা গুরুদক্ষিণার বিনিময়ে লেখাপড়া। অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের এই পাঠশালা এখন রীতিমতো চর্চায়। দুঃস্থ পরিবারের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে সমীরণবাবুর এই পাঠশালার বিকল্প খুঁজে পাওয়া ভার। 

সমীরণপ্রসাদ চক্রবর্তীর বাড়ি কালনা ১ ব্লকের কৃষ্ণদেবপুরের হালদার পাড়ায়। তিনি বাদলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর তিনি অবসর নিয়েছেন। শিক্ষকতার জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করলেও সমীরণপ্রসাদবাবু শিক্ষাদানে কাজেই ব্রতী থাকলেন। দুঃস্থ পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য কিছু একটা করার সংকল্পটা আগেই ছিল। সেই সংকল্প পূরণের জন্যই নিজের বাড়িতে তিনি পাঠশালা খুলে বসেছেন। বর্তমানে সমীরণপ্রসাদ বাবুর “ষোলো আনার পাঠশালা”য় পড়ুয়ার সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।এই পাঠশালাই এখন সমীরণপ্রসাদ বাবুর ধ্যানজ্ঞান। ষোলো আনা বা ১ টাকা গুরুদক্ষিণার বিনিময়ে কয়েক দফায় তিনি তাঁর পাঠশালায় প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের পড়ান। পাঠশালায় থাকা ভাঁড়েই গুরুদক্ষিণা জমা দেয় পড়ুয়ারা। অনেক ছেলেমেয়েদের আবার নিজের গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে কিংবা গুরুদক্ষিণা বাবদ মেলা পয়সা থেকে বই-খাতা, পেন-পেন্সিল কিনে দেন তিনি।  

আজকের দিনে যেখানে মানবিকতার অবক্ষয়ের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটা সমাজ, যেখানে শিক্ষা নিয়ে কালোবাজারি আর দুর্নীতির প্রসঙ্গ উঠে আসছে সমাজের সামনে, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে সমীরণপ্রসাদ চক্রবর্তী-দের মত মানুষেরাই পারেন সমাজ কে নতুন দিশা দেখাতে, শিক্ষক দিবসের এই মহৎ দিনে সমীরণ বাবু ও এনাদের মত আরো এমন বিপরীত পন্থীর শিক্ষদের জানাই কুর্নিশ। 

You might also like!