Breaking News
 
BJP : প্রতি মাসে মহিলাদের ৩০০০ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট ফ্রি পয়লা জুন থেকেই মিলবে সিদ্ধান্ত সরকারের Kunal Ghosh : রাজনৈতিক সৌজন্যে শুভেন্দুকে কুণালের শুভেচ্ছা, তালিকায় শোভনদেব-অসীমা, অনুপস্থিত নয়না West Bengal Cabinet Ministers 2026: :নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন শুরু, দিলীপ-অগ্নিমিত্রাদের কোন দপ্তর? একনজরে তালিকা Suvendu Adhikari : প্রশাসনিক রদবদলে বড় ঘোষণা, প্রথম ক্যাবিনেটে ষাটোর্ধ্ব আমলাদের সরিয়ে দিলেন শুভেন্দু Humayun kabir : পঞ্চায়েত সমিতিতে বড় বিতর্ক, ২৮ কোটির দুর্নীতির অভিযোগে আতাউর, তালা ঝুলল অফিসে Subhendu Adhikari : আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে আলোচনা, ইঙ্গিত শুভেন্দুর

 

West Bengal

2 years ago

Greeting Card: সময়ের অতলে হারিয়েছে গ্রিটিংস! দোকান জুড়ে নেমেছে শূন্যতা

Greetings Card Shop (File Picture)
Greetings Card Shop (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সময়টা ছিল নব্বই দশক। নতুন বছর এলেই, দোকান সাজত নতুনভাবে। দোকানে সারে সারে ঝুলে থাকত নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তার দূত। একেকটার দাম ডিজাইনের তারতম্যে একেকরকম হত। তখন সেইসব দোকানের বিক্রেতারা ব্যাস্ত হয়ে ওদের নিয়ে।  নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে যেত বন্ধু থেকে শুরু করে মনের মানুষের কাছে। বন্ধুত্ব, প্রেম ও স্নেহ-ভালবাসায় মিশে দোকানে ঝোলা গ্রিটিংস তখন বছরের শুরুতে শুভেচ্ছা আদানপ্রদানের দূত হয়ে উঠত।  

কার্ডের সাথে প্রিয় মানুষটিকে কবিতা লেখার যে মাধুর্য, আর কি ফিরে পাওয়া যাবে কখনও? এমনকি বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে বছরের শেষ দিনগুলোতে জমানো হত হাতখরচ। সেই হাতখরচ থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ টাকা তোলা থাকত সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির জন্য। তবে এখন গোটাটাই যেন একটা নস্টালজিয়া। সেই সব দিন এখন স্মৃতির অতলে। আজকের দোকানগুলোতে এখন আর গ্রিটিংস ঘিরে মানুষের ঢল নামে না। সময়ের ধারাপাতে সেখানে এখন নেমেছে একরাশ শূন্যতা। স্মার্টফোনের মেসেজে ভালোই জব্দ হয়েছে সেই নববর্ষের বার্তাবাহক। সোশাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা আদান-প্রদানে মানুষ ভুলেছে তাকে। প্রয়োজন ফুরিয়েছে গ্রিটিংসের। 

এমনকি যাঁরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের কাজও আজ স্তব্ধ হয়েছে। সাত বছর আগের কথা, তখন সিউড়িতে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১০০ টি দোকান গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি করত। এখন বিক্রি হয় ২টি দোকানে। যে দুটি দোকান গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি করছে তাদেরও আক্ষেপ, এই বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁদের দোকান থেকে একটিও গ্রিটিংস কার্ড বিক্রি হয়নি। তাঁরা নতুন করে গ্রিটিংস কার্ডের সম্ভার সাজিয়েছে এমনটাও নয়, বিগত দু'বছর ধরে তাঁদের স্টকে থাকা কার্ডগুলিই দোকানের সামনে সাজিয়ে রেখেছেন তাঁরা। যদি বিক্রি হয় সেই আশায়। কিন্তু কই? এই প্রসঙ্গে বোলপুরের (Bolpur News) বাসিন্দা শুভদীপ দাস বলেন, “গ্রিটিংস কার্ড আমাদের কাছে খুব ভালোলাগার বিষয় ছিল। কিন্তু, এখনকার প্রজন্ম আর গ্রিটিংস কার্ড কী তাই বুঝতে পারে না। স্মার্ট ফোনেই মগ্ন তাঁরা। আমার মনে হয় তাঁদের থেকে অনেক কিছু হারিয়ে গেল।” অন্যদিকে, অপর কার্ড বিক্রেতা বাচ্চু মাল বলেন, "গত বছর থেকেই আমরা আর নতুন করে কোনও গ্রিটিংস কার্ড তুলি না। কলকাতায় যেখান থেকে তা কিনে আনতাম সেখানেও পাওয়া যাচ্ছে না। বছর পাঁচেক ধরে গ্রিটিং কার্ডের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না।"

বোলপুরের অপর বিক্রেতা মণিগোপাল কুণ্ডু বলেন, “আমি গত বছরের দুটি কার্ড বিক্রি করেছি। নতুন প্রজন্ম আসে না বললেই চলে। সকলেই তো এখন হোয়াটসঅ্যাপ চালাচালি করে বলে শুনেছি। আমার দোকানে কিছু পুরনো কার্ড ছিল। নতুন করে সেগুলিই সাজিয়ে দিয়েছি। এই প্রজন্মের কেউ এখনও পর্যন্ত কার্ড কেনেনি। তবে শনিবার একজন ১০০ টাকার একটি কার্ড নিয়েছে। তিনি কলেজ পড়ুয়া ছিলেন।”

You might also like!