Breaking News
 
Rahul Gandhi: পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা রাহুলের, মদ্যপানের অভিযোগ ঘিরে সরগরম রাজনীতি Supreme Court : গ্রেপ্তার হোক বা আটক, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে পেশ বাধ্যতামূলক, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের US Sanctions Indian Couple: ভোটে ধাক্কার পরই ট্রাম্পের কড়া পদক্ষেপ, ইরানি তেল বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতীয় দম্পতি Agnimitra Paul: পথকুকুরদের জন্য ফিডিং জোন, হাসপাতাল থেকে শ্মশান তৈরির পরিকল্পনা! বড় ঘোষণা অগ্নিমিত্রার Foreign Donors And Pak Links: ‘পাকিস্তানি রাজনীতিবিদরা টাকা জোগাচ্ছেন’, ককরোচদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: কৃষকদের জন্য একগুচ্ছ বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, আলু রপ্তানিতে ছাড় থেকে ক্ষতিপূরণ, জানুয়ারিতে চালু ‘ভরসা’ প্রকল্প

 

Trinamool MLA Jibankrishna:হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙে দেওয়া অফিস তাঁর নয়, দাবি জীবনকৃষ্ণর

Trinamool MLA Jibankrishna
Trinamool MLA Jibankrishna

 

কলকাতা, ১ জুন  : মুর্শিদাবাদের বড়ঞা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আফ্রিকা মোড়ের ভেঙে দেওয়া অফিস তাঁর ছিল না। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এরকমই দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি এ-ও জানান, নির্মাণ বেআইনি হলে তা ভেঙে ফেলা উচিত।

বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ ওঠার পর হাই কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি সাতটি দোকান সম্প্রতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তারই মধ্যে একটিতে মাঝেমধ্যে বসতেন। এই দোকানঘরটিকেই নাকি নির্বাচনী কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন তিনি। এয়দিন আলিপুর স্পেশাল সিবিআই আদালতে প্রবেশ করার সময় বড়ঞা তৃণমূল বিধায়ক ওই দাবি অস্বীকার করেন।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচার বিভাগীয় হেফাজত শেষে বৃহস্পতিবার সকালে জীবনকৃষ্ণ-সহ মোট ৯ জনকে আলিপুর স্পেশাল সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে প্রবেশ করার সময় জীবনকৃষ্ণকে তাঁর বিভিন্ন অফিস ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হলে উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘বেআইনি হলে তা তো ভাঙবেই।’’

পাশাপাশি তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি নিজে কোনও বেআইনি কাজ করতেন কি না? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর সন্তর্পণে এড়িয়েই যেতে দেখা যায় ধৃত তৃণমূল বিধায়ককে। বদলে তিনি বলেন, ‘‘ওটা আমার অফিস নয়। কে বলল ওটা আমার অফিস?’’ এর পরই আদালতের ভিতরে চলে যান জীবনকৃষ্ণ।

প্রসঙ্গত, বড়ঞার স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ ছিল, বড়ঞা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আফ্রিকা মোড়ের বাজারে অবৈধ নির্মাণ বানিয়ে রমরমিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন পঞ্চায়েত প্রধান এবং তাঁর স্বামী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হওয়া মামলায় অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। এর পরই সেই অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভেঙে দেওয়া দোকানগুলির মধ্যে একটি জীবনকৃষ্ণের কার্যালয় ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ওই দোকানঘরের সঙ্গে জীবনকৃষ্ণের কোনও সম্পর্ক নেই। জীবনকৃষ্ণ যদি কখনও সেখানে বসেও থাকেন, তবুও সেটিকে কার্যালয় বলে মানতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একই কথা বৃহস্পতিবার শোনা গেল জীবনকৃষ্ণের মুখ থেকেও।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…