Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Biman Bose:মানহানি মামলায় আদালতে হাজিরা বিমান-সেলিম-শতরূপের, পেলেন জামিন

Biman-Salim-Shatrup appeared in court in defamation case, got bail
Biman-Salim-Shatrup appeared in court in defamation case, got bail

 

কলকাতা, ১৪ সেপ্টেম্বর  : কুণাল ঘোষের দায়ের করা মানহানির মামলায় জামিন নিতে আদালতে হাজিরা দিলেন তিন বাম নেতা। বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং শতরূপ ঘোষ।

তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদককে ‘তাজ্যপুত্র’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন শতরূপ। অভিযোগ, তাতে সায় দিয়েছিলেন বিমানবাবু এবং সেলিম। এর পর তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন কুণাল ঘোষ।

বাম নেতা শতরূপ ঘোষের গাড়ি নিয়ে সামাজিক প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। প্রশ্ন তুলেছিলেন, ২০২১ সালে নির্বাচনী হলফনামায় যেখানে মাত্র ২ লক্ষ টাকা সম্পত্তি দেখিয়েছিলেন শতরূপ, সেখানে ২০২৩ সালে কীভাবে ২২ লাখি গাড়ির মালিক হলেন তিনি।সিপিএমের হোলটাইমার হয়ে এত দামি গাড়ি চড়াটা কি নীতিবিরুদ্ধ নয়?

কুণাল ঘোষকে আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করেন শতরূপ। বলেন, “আমার বাবা আছে। সবার বাবা থাকে। তাঁরা উপহারও দেন। আশা করি কুণালবাবুরও ছিলেন, যদি না উনি টেস্ট টিউব বেবি হয়ে থাকেন।” শুধু তাই নয়, কুণাল ঘোষের বেনামি ভাই থাকতে পারে বলেও কটাক্ষ করেছিলেন।

সিপিএমের সদর দফতরে বসে করা শতরূপের ‘অপমানজনক’ মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন কুণাল। সেই মামলায় যোগ করা হয় বিমান বসু ও মহম্মদ সেলিমকেও। কুণালের অভিযোগ, সিনিয়র নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে দলীয় দফতরে বসে এই ধরনের কথা বলতে পারতেন না শতরূপ।

মামলা করার আগে অবশ্য সিপিএমের তিন নেতাকেই আইনি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু সেই চিঠি তাঁরা উপেক্ষা করেন। তারপরই কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে মামলা দায়ের করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক।

গত ৫ এপ্রিল সেই মামলা গ্রহণ করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এবার সেই মামলায় জামিন নিতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিন বাম নেতা। যা নিয়ে কুণাল ঘোষের কটাক্ষ, “আসতে তো হল কোর্টে।”

You might also like!