Breaking News
 
cm Suvendu Adhikari : লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চিন্তার কারণ নেই, বেকার ভাতাও চালু থাকবে, ঘোষণা শুভেন্দু সরকারের Land handover to Bsf : কাঁটাতার বসাতে বিএসএফকে জমি দেবে রাজ্য, প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত BJP : রাজনৈতিক হিংসা ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ, নিহত ৩২১ বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার Suvendu Adhikari :শপথের পরই অ্যাকশনে শুভেন্দু সরকার, প্রথম ক্যাবিনেটে বিএসএফ ও আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত Suvendu Adhikari and Samik Bhattacharya : সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে শমীক-শুভেন্দু বৈঠক, বৈঠক শেষে কী বার্তা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য? Suvendu Adhikari and Samik Bhattacharya: সল্টলেকে শমীকের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, বৈঠকে বসেন দু'জনে

 

West Bengal

2 years ago

Anubrata Mondal: তিহাড়বাসী অনুব্রতের দেখা মিললো কেন্দুলি মেলায়!তারপর যা হল......

Anubrata Mondal (File Picture)
Anubrata Mondal (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বীরভূমের ঘাসফুল শিবিরের দাপুট নেতা অনুব্রত মণ্ডল এক বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছেন তিহাড় জেলে। নাম কাটা গিয়েছে জেলা সভাপতি পদ থেকে।তৃণমূল নেতা কাজল শেখের দাপটে অনুব্রতর পোস্টার খুলে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে ফের অনুব্রতর ‘আবির্ভাব’। বীরভূমের রাজনীতি থেকে কি হারিয়ে যাচ্ছেন কেষ্ট মণ্ডল? এই প্রশ্ন যখন রাজনৈতিক মহলে ঘোরাফেরা করছে, দেখা মিলল তাঁর। না, জেলমুক্তি হয়নি এখনও। তবে জয়দেবের মেলায় দিকে দিকে দেখা যাচ্ছে অনুব্রতর ছবি।  এই ছবি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। লোকসভা নির্বাচনের আগে কি আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন কেষ্ট মণ্ডল?

জয়দেব মেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের স্টল ও একাধিক গেটে দেখা যাচ্ছে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার ছবি রয়েছে সে সব জায়গায়। কোথাও নেই কাজল শেখের ছবি।

তবে শুধু তৃণমূল নয়, কবি জয়দেবের ধাম কেন্দুলির মেলা থেকে বাদ পড়ল না রাজনীতি। জয়দেবের মূল রাধা মাধব মন্দিরের পাশেই চোখে পড়ছে সিপিএম, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির পতাকা। মেলা উপলক্ষে লাগানো হয়েছে এগুলো। পাশাপাশি স্টল করা হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দলের।

সিপিএম-এর বীরভূম জেলার সম্পাদক গৌতম ঘোষ জানিয়েছেন রাজনীতি অচ্ছুৎ নয়, তাই মন্দিরের পাশে থাকলে কোনও অসুবিধা হবে না। যেখানে বহু মানুষের জমায়েত হবে সামনের লোকসভা ভোটের প্রচার সেখান থেকেই হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। জেলবন্দি হয়েও ব্যানারে অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। তিনি বলেছে, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে লড়াই রাজ্যে শুরু হয়েছে তারই প্রতিফলন হিসেবে জেলায় জেলায় প্রকাশ পাচ্ছে সেটা।”

রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সব জায়গায় রাজনীতি করতে ভালবাসে। ওরা বাড়িতে বাড়িতে বিভেদ লাগিয়েও রাজনীতি করে। এই পুণ্য ধামও বাদ দেয়নি তারা।” তিনি মনে করেন, অনুব্রত মণ্ডলের ছবি বা ব্যানার যতই লাগানো হোক না কেন বাংলার মানুষ সচেতন, অনুব্রত মণ্ডল ‘চোর’ সেটা সবাই জানে। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের ছবি লাগানোর ক্ষেত্রে দলের কোনও নির্দেশ নেই। আর এটা কোনও দলীয় প্রোগ্রাম নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।


You might also like!