
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির রান্নাঘরে খাবারের কৌটোয় পোকা—এই সমস্যায় কমবেশি সকলকেই পড়তে হয়। প্রতিদিনের ব্যবহারের চাল, ডাল, আটা, সুজি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে গিয়ে আর্দ্রতার কারণে পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে। বিশেষ করে বর্ষা বা আর্দ্র আবহাওয়ায় এই সমস্যা আরও প্রকট হয়। অনেকেই এই অবস্থায় রাসায়নিক ব্যবহার করেন, যা খাবার ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায় মেনে চললেই সহজে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
১। নিমপাতা ও শুকনো মশলার ব্যবহার- বিভিন্ন গবেষণাতে জানা গিয়েছে, নিমপাতার তীব্র গন্ধ পোকামাকড় দূরে রাখতে পারে, কারণ এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কনটেনারে কয়েকটি শুকনো নিমপাতা রেখে দিলে পোকা পালাবে।
২। শুকনো লাল মরিচ বা লবঙ্গ- এগুলোর তীব্র গন্ধ পোকার একেবারেই পছন্দ নয়। তাই পোকা তাড়াতে রেখে দিন কনটেনারের মধ্যে। তবে এগুলো চাল, ডালে রাখলে এগুলোর গন্ধ হয়ে যেতে পারে সেই বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
৩। তেজপাতা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিরোধক- তেজপাতাও খাবার সংরক্ষণে বেশ কার্যকরী। তেজপাতার গন্ধ পেলে খাবারের ধারে কাছে পোকা আসবে না।
৪। এয়ার-টাইট কনটেইনার- অকেজো বা সস্তা প্লাস্টিক বস্তা নয় কাচের বা সিলড শক্ত কন্টেইনারে শস্য রাখলে পোকা ঢুকতে পারে না। শস্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণভাবে জরুরি। এয়ার টাইট কনটেইনার ব্যবহার করলে চাল, ডাল, আটা, সুজি সবই ভালো থাকবে।
৫। শস্য সংরক্ষণে রোদের গুরুত্ব- শস্যকে মাঝে মাঝেই রোদে রাখা জরুরী। এতে লার্ভা বা ছোট পোকা মারা যায় এবং শস্য শুকিয়ে যায়, ফলে পোকা বাড়তে পারেনা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন এক্ষেত্রে রাসায়নিক ব্যবহার একেবারেই উচিৎ নয়। তাতে পোকা গেলেও শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই কয়েকটা ঘরোয়া টোটকাই হতে পারে আপনার সুস্থ রান্নাঘরের চাবিকাঠি।
