Breaking News

 

kolkata

1 hour ago

West Bengal Assembly Election:ভোটের আগে প্রশাসনে বড় ধাক্কা! বিনীত গোয়েল ও সুপ্রতিম সরকার-সহ একাধিক আইপিএস অফিসারকে নতুন দায়িত্ব কমিশনের

Commission Effects Major Reshuffle in State Police Administration
Commission Effects Major Reshuffle in State Police Administration

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনে নির্বাচন কমিশনের ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরানোর ধাক্কা সামলানোর আগেই সোমবার সকালে পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল ঘটাল কমিশন। একাধিক জেলার পুলিশ সুপার (SP) থেকে শুরু করে রেঞ্জের ডিআইজি (DIG) পদমর্যাদার অফিসারদেরও রাতারাতি বদলি করা হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিল যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে তারা বিন্দুমাত্র আপস করতে নারাজ। নজিরবিহীন এই রদবদল রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল।নির্বাচনী বিধি লাগু হওয়ার পরপরই কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে রাজ্য পুলিশের ডিজি, আইজি – সমস্ত শীর্ষপদেই বদল করা হল। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী –

কলকাতার পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরানো হল। এই পদে এলেন অজয় নন্দা।

রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে পীযূষ পাণ্ডের বদলে আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হল সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে।

এডিজি, আইনশৃঙ্খলা পদে বিনীত গোয়েলের বদলে দায়িত্বে এলেন অজয় মুকুন্দ রানাডে।

ডিজি, কারা পদে আনা হল নটরাজন রমেশ বাবুকে।

কমিশন যাঁদের উপর নতুন দায়িত্ব দিয়েছে, তাঁদের সকলকে আজ দুপুর ৩টের মধ্যে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁরা কেউ নির্বাচনের কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে  বিজ্ঞপ্তি জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোট ঘোষণার পর এত দ্রুত প্রশাসনিক বদলিতে কমিশনের ‘অতিসক্রিয়তা’ দেখছে রাজ্যের শাসকশিবির। নেপথ্যে বিজেপির ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।


উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১০ তারিখ রাজ্যের ভোট (West Bengal Assembly Election) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদস্থ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে যথেষ্ট কড়া ভাষায় কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। খোঁজখবর নিয়েছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। বারবার বার্তা দিয়েছেন, হিংসামুক্ত ভোট করাতে পুলিশকে দায়িত্ব নিতে হবে। এরপর রবিবার ভোট ঘোষণা করা মাত্র আইএএস, আইপিএস-দের প্রায় সব পদেই রাতারাতি রদবদল সত্যিই নজিরবিহীন। বিশেষত মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও কয়েকঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কেন্দ্রের শাসকদলের প্রভাব দেখছে রাজ্যের শাসক শিবির।

You might also like!