
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লেগে যা নারদ-নারদ! দুই হিরো , ইন্ডাস্ট্রিতে বন্ধু হলেও, রাজনীতির ময়দানে তারা প্রতিপক্ষ। কথা হচ্ছে সাংসদ দেব এবং বিধাক হিরনের।
কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চে গেরুয়া সৈনিক হিরণ দাবি করছিলেন যে, ‘এখানে ঘাটালের মানুষ ডুবে যাচ্ছে, আর দেব মালদ্বীপে গিয়ে ছুটি কাটাচ্ছেন! ভোটের আগে আসব। ভোটের পর কলকাতার ফ্ল্যাটে থাকব। সাংসদ হিসেবে মাইনে নেব, ঘাটালে কাজের জন্য কাটমানি খাব। আর গরুচোর এনামূলের টাকায় সিনেমা বানাব।’
হিরণের মন্তব্যের পরই দেবকে নিশানা করে পদ্ম বাহিনী। এ দিন দেবের ঘাটাল সফরের আগে বিজেপির তরফে শহরজুড়ে কটাক্ষ পোস্টার দেওয়া হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘হিরনের খোঁচা খেয়ে মালদ্বীপ থেকে ঘাটালে আসছেন সাংসদ দেব।’ পোস্টার লাগাতে দেখা যায় খোদ ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাটকে ও।
এরপরই দুপুরে ঘাটালে হাজির হন সাংসদ দেব। তাঁর বিরুদ্ধে হিরণের করা অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন- ‘হিরণ আমার ভাল বন্ধু। কেন ও এরকম বলল আমি সত্যিই জানি না। ও যখন বিধায়ক হল তখন আমি মেসেজ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। আমার এ নিয়ে কিছু বলার নেই।’
বিধায়কের অভিযোগ সাংসদ এলাকায় আসেন না। এই প্রসঙ্গে দেবের বলেন, ‘সত্যিই তো আমি ব্যস্ত। সাংসদ হয়েও আমার কাজের অভাব নেই। ব্যাস্ত থাকি। রোজ আসা তাই সম্ভব নয়।’
কাটমানি প্রসঙ্গে বলেন-‘কাটমানি কী জানি না। এনামুলকে চিনি না। দেব কখনও এমন কাজ করেনি যে মাথা নত করতে হবে। কারও থেকে টাকা নিয়ে আমি ছবি করি না। আর আমাকে যেদিন ডেকেছিল আমি সেদিনই গেছি। অন্য কোনও তারিখও চাইনি। সেটা ৯ মাস হয়ে গিয়েছে। এরপর আমাকে আর ডাকেনি। ডাকলে আবার যাব।
বিধায়কের দাবি সাংসদ বান্ধবী নিয়ে গরু পাচারকারীর অর্থে বিদেশে গিয়ে ফুর্তি করেন। যার পাল্টা দেব বলেছেন, ‘আক্রমণ করলে আমাকে করো বাড়িতে ঢোকার কোনও প্রয়োজন নেই। আমি তো কাউকে লুকিয়ে কোথাও ঘুরতে যাইনি। আমি যার সঙ্গেই যাই না কেন সম্মান নিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া হিরণও একজন মেয়ের বাবা। ফলে সে বোঝে যে একটা মেয়েকে অপমান করা মানে শুধুমাত্র তাকেই নয়, তার বাবাকেও অপমান করা। রাজনৈতিকভাবে যদি লড়াই করতে হয় তাহলে সেটা করো। আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রশ্ন থাকলে করো।’
