
কলকাতা, ৩ নভেম্বর : ২০১৪ এবং ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত সূত্রের খবর, ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটে পাঁচজন অনুত্তীর্ণ প্রার্থী ২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে আদালত। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁদের আবেদনপত্র পূরণের অনুমতি দিয়েছেন।
মামলাকারীদের দাবি, ২০১৪ সালের টেটে এই প্রার্থীরা ১৫০ এর মধ্যে ৮২ নম্বর পেয়েছেন। তাঁদের গড় নম্বর ৫৪.৬৭ শতাংশ। নিয়ম অনুসারে এই নম্বরকে ৫৫ নম্বর হিসেবে গণ্য করতে হবে। ৫৫ পেলেই তাঁরা যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মান্যতা পাবেন। মামলাকারীদের আরও দাবি, ওই টেট পরীক্ষায় ছটি প্রশ্ন ভুল ছিল। তা নিয়ে মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারাধীন।
একই ভাবে ২০১৭ সালের টেটে অনুত্তীর্ণ ১৬ জন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন বলে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রায় দিয়েছেন। তাঁরাও ২০২২ সালের জন্য আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। এই প্রার্থীরাও ১৫০ এর মধ্যে গড়ে ৮২ নম্বর পেয়েছেন। তাঁদেরও গড় প্রাপ্ত নম্বর ৫৪.৬৭ শতাংশ। তাঁদের ক্ষেত্রেও ৫৫ শতাংশ নম্বর ধরতে হবে। এই পরীক্ষাতেও আটটি প্রশ্ন ভুল ছিল। তা নিয়েও মামলা হয়েছে।
এরই মধ্যে ১১ ডিসেম্বর প্রাথমিকে টেট পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাদের দাবি, প্রায় ৭ লক্ষ প্রার্থী ওই পরীক্ষায় বসবেন। এই টেটের জন্য পর্ষদ একাধিক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তা নিয়ে শিক্ষা মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তারা বলছে, পর্ষদ সম্ভবত বিভ্রান্তিতে ভুগছে। তাই নিত্য নতুন বিজ্ঞপ্তি দিতে হচ্ছে তাদের।
