
বীরভূম, ৪ নভেম্বর : ১ কোটি টাকার লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। শুক্রবার বোলপুরের সেই লটারি এজেন্সিতে হানা সিবিআই আধিকারিকদের। তদন্তে উঠে এসেছে, এক লটারির নামে টিকিট কাটা হয়েছিল। টাকা দিয়েছিল আর একটি লটারি এজেন্সি! আর সেখানেই দানা বেঁধেছে ধোঁয়াশা। উঠেছে প্রশ্ন।
বোলপুরের চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত রাহুল লটারি। অনুব্রত মণ্ডলের ১ কোটি টাকার লটারি পাওয়া প্রসঙ্গে এবার সেই রাহুল লটারি এজেন্সিতে হানা দিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। লটারি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। এরপর ওই লটারির মালিককে এজেন্সির সমস্ত কাগজ-নথিপত্র সিবিআইয়ের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কীভাবে ১ কোটি টাকার ওই লটারি জেতেন অনুব্রত মণ্ডল? উঠেছে প্রশ্ন। লটারি জেতার ক্ষেত্রেও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। গাঙ্গুলি লটারির বাপি গাঙ্গুলি নামে একজনকে এর আগে সিবিআইয়ের তরফে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই বাপি গাঙ্গুলিকে জিজ্ঞাসাবাদেই উঠে আসে যে, গাঙ্গুলি লটারি নামে অন্য একটি এজেন্সি থেকে টাকাটি ভাঙানো হয়েছিল। কিন্তু টিকিটটি ছিল রাহুল লটারির। আর তাই রাহুল লটারির মালিককে ডেকে পাঠায় সিবিআই।
শুক্রবার সেই রাহুল লটারির দোকানেই হানা দিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। দোকানে এসে কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেন। জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। গত বছর ওই ১ কোটি টাকার লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ছবিসহ অনুব্রত মণ্ডলের নাম প্রকাশ হয় লটারি এজেন্সির ওয়েবসাইটেও। এখন ওই লটারির টিকিট কবে কাটা হয়েছিল? কীভাবে নেওয়া হয়েছিল? কারা টিকিট কাটতে এসেছিল? টাকার লেনদেন কারা করেছিল? এই সকল প্রশ্নের উত্তরের খোঁজে এবার সিবিআই আধিকারিকরা।
