International

3 years ago

Bangladesh : ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ: অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা

Onions Import at Bangladesh
Onions Import at Bangladesh

 

ঢাকা: আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই রমজান মাস। কিন্তু তার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমতি (আইপি) বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আর এখর বাজারে প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি শুরু হয়েছে বাংলাদেশের বাজারগুলোতে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) থেকে বাংলাদেশ সরকার পেয়াজ আমদানি বন্ধ বন্ধ করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ভোক্তারা অস্বস্তিতে পরে। অনেকে মনে করছেন, এর ফলে রমজানকে সামনে রেখে সিন্ডিকেটের হাত ধরে দেশে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা দাম বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার শ্যামবাজার, রায়সাহেব বাজার, সুত্রাপুর, ধূপখোলা মাঠ বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি দেশি হালি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা কেজি, যা একদিন আগেও ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। আর মুড়িকাটা দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি মানভেদে ২৮ থেকে ৩০ টাকা, যা একদিন আগেও বিক্রি হতো ২৬ থেকে ২৮ টাকা কেজি। আর আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৮ থেকে ৩২ টাকা। সে হিসেবে প্রতি কেজিতে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি হালি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা আর মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকায়, যা একদিন আগে ছিল মুড়িকাটা ৩২ টাকা, আর হালি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪২ টাকা। আর আমদানিকৃত ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে, যা একদিন আগে বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায়। সাধারণত দেশি পেঁয়াজের দামের তুলনায় আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ টাকা কম না হলে ভোক্তারা ভারতীয় পেঁয়াজ কিনতে চান না।

বাজাদের বক্তব্য বর্তমানে পেঁয়াজের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। তবে আমদানি বন্ধের খবরে আজকে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। এটা হতে পারে না। বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ রয়েছে, ভরা মৌসুম। কোনো সংকট নেই। এরপরেও আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্তে কারণে বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হচ্ছে। যেহেতু এখন পেঁয়াজের ভরা মৌসুম। এখন পেঁয়াজ আমদানি হলে কৃষকরা দাম পাবে না। আমরা জানতে পেরেছি পেঁয়াজ পানির দামে বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচ দিয়ে বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের যে দাম তাতে কৃষকরা লোকসানে আছে। তাই আমদানি সাময়িক বন্ধ থাকবে। সরকার যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে আবার আমদানির অনুমতি দেবে। আমদানি যদি সাময়িক বন্ধ হয় তাহলে বাংলাদেশের কৃষকরা লোকসানের হাত থেকে বাঁচবে।

You might also like!