দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ধান কেনার পদ্ধতিতে আরও সরলীকরণ রাজ্য সরকারের। একইসঙ্গে বাড়ান হল ধানের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যও। রাজ্য সরকারের খাদ্যে ও সরবরাহ দফতরের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১২টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে দফতরের তরফে। বিক্রির দিনক্ষণও চাষিরা নিজেরাই জানাবেন। এর জন্য সরকারি পোর্টালও খুলে দেওয়া হয়েছে। চাষিদের ধান বিক্রিতে সবরকম সহযোগিতা করতে অনেক সহজ উপায় এনেছে রাজ্য খাদ্য দফতর।

সরকারের তরফে ন্যায্যমূল্যে ধান কেনা হবে। চাষিরা নিজেরাই ঠিক করবেন কবে ধান বিক্রি করবেন সরকারের কাছে। সরকারি সহায়ক মূল্যের ধান বিক্রির দিনক্ষণ ও কেন্দ্র চাষিরা নিজেদের সুবিধা মতো ঠিক করে নিতে পারবে। এতে চাষিদের হয়রানি অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। খাদ্য দফতর, ইসিএসসি (অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ নিগম), বেনফেড ও কনফেড মিলিয়ে এই ধান কিনবে।
ধানের সহায়ক মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি, এক জন কৃষক মরসুমে কত ধান বিক্রি করতে পারবেন, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক জন কৃষক মরসুমে সর্বোচ্চ ৯০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। চলতি খরিফ মরশুমে আরও অন্তত ৭-৮ লক্ষ টন ধান কিনবে সরকার। সম্প্রতি ধান কেনা নিয়ে খাদ্য ভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার-সহ দুই দফতরের শীর্ষ আধিকারিকেরাও হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ধানের দাম বৃদ্ধি-সহ তা কেনার বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারির সিদ্ধান্ত হয়েছিল।এতদিন অবধি ধান বিক্রি করতে ভরসা ছিল ফড়েরাই। এতে চাষিদেরই হয়রানি হত। সঠিক দামও পেতেন না তাঁরা। এখন অনলাইন পোর্টাল হয়ে যাওয়ায় চাষিদের অনেকটাই সুবিধা হল।
কীভাবে পোর্টালে লগইন করতে হবে, কীভাবে মোবাইল নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিতে হবে তা বিস্তারিত বলে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তার সব পদ্ধতি সহজ করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।