
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি এখন যেন শিক্ষক শিক্ষিকাদের আতঙ্কের কারন। অবৈধভাবে নিয়োগের আতঙ্ক এতটাই পেয়ে বসেছে যে প্রতি ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এখন নিয়োগ সাল উল্লেখ করছে। যেমন উল্লেখ করলেন বারাসতের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলরের স্বামী। আর তাঁর সেই ফেসবুক পোস্ট ঘিরে নেটদুনিয়ায় হাসির রোল।
বারাসতের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৈতালি ভট্টাচার্য। পেশায় শিক্ষিকা। উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য অশ্বিনী পল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দু’টি বিশ্রামস্থল তৈরি করে দিয়েছেন কাউন্সিলর। সেই উদ্যোগের কথা ফেসবুক পোস্ট করে জানিয়েছেন কাউন্সিলরের স্বামী সজল ভট্টাচার্য। সেখানে সজল বাবু কাউন্সিলরকে শিক্ষিকা উল্লেখ করে বন্ধনী মধ্যে উল্লেখ করেদিয়েছেন তার নিয়োগ সাল, আর তাতেই উঠেছে হাসির রোল।
কীভাবে টাকার বিনিময়ে নম্বর বাড়িয়ে যেভাবে অযোগ্যদের নিয়োগ করা হয়েছে সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মান-সম্মান নিয়ে টানাটানি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের সামাজিক সম্মান বাঁচাতে নিয়োগের সাল উল্লেখ করে দিচ্ছেন তাঁরা। যাতে তাঁদের নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন না ওঠে।
