Breaking News
 
Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু Kolkata Police :হাতবদল হতেই পরিচয় বদল! কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে অপসারিত ‘দিদি’, জায়গা নিলেন ‘দাদা’ West Bengal Assembly Election Result 2026 :বকেয়া জট কাটল এক লহমায়! শপথের প্রাক্কালে বাংলার উন্নয়ন তহবিলে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত

 

West Bengal

2 years ago

The mini zoo of WB : খুলছে রাজ্যের মিনি জু, জানেন কী কোথায় এই মিনি জু?

Mini Zoo of WB (Collected)
Mini Zoo of WB (Collected)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর থেকে সাধারনের জন্য খুলে যাচ্ছে গড়চুমুকের মিনি জু। এই মিনি জু তৈরি হওয়ার পর প্রায় দু'বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু খোলেনি। প্রত্যেক শীতেই গড়চুমুকে বেড়াতে আসা মানুষজন এই মিনি জু দেখতে চান। কিন্তু নিরাশ হয়ে ফিরতে হয়।তবে আর তিন দন পরই খুলতে চলেছে গড়চুমুকের এই বিশেষ দর্শনীয় ও আকর্ষনীয় স্থানটি। 

শনিবার গড়চুমুকে একটি প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। যে বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের পূর্ত এবং জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী পুলক রায়। তিনিও মিনি জ়ু খোলার বিষয়ে ইঙ্গিত দেন।মন্ত্রীর মতে মিনি জু খুললে ব্যবসাও খানিক বাড়বে বলে মনে করছেন। 

গড়চুমুক পর্যটনকেন্দ্রের আকর্ষণ দু'টি নদীর মাঝে ৫৮টি স্লুইসগেট, একটি পার্ক, নদীর ধার ও চিড়িয়াখানা। তবে এই সবের মধ্যে চিড়িয়াখানা পর্যটকদের বাড়তি আগ্রহের বিষয়। ১২.৪৩ হেক্টর জায়গা জ়ুড়ে গড়চুমুকে বাগান ও মিনি জ়ু বানানো হয়েছে। পরিপাটি করে সেই বাগানকে সাজানো হয়েছে। একাধিক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। গড়চুমুকের চিড়িয়াখানার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে একজন রেঞ্জ অফিসারও। দু'বছর ধরে গড়চুমুকের জিওলজিক্যাল গার্ডেনের (মিনি জ়ু) একাধিকবার উদ্বোধনের কথা হয়। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।

চিড়িয়াখানায় রয়েছে ইন্ডিয়ান রক পাইন (অজগর), কুমির, স্থল ও জলে থাকা কচ্ছপ, বাঘরোল, হরিণ, কাঁকর হরিণ, কাকাতুয়া, ম্যাকাও, লাভ বার্ডস, বদ্রি, সিলভার ফ্রেজান্ট, জাভা, কাকাতুয়া, পাইথন, এমু, সজারু, ইগুয়ানা, ময়ূর। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চিড়িয়াখানায় আগে থেকেই হরিণ ছিল। কাঁকর হরিণ আনা হয়েছে। এই চিড়িয়াখানায় যত বাঘরোল আছে, তা অন্য কোথায় নেই। পশু-পাখিদের থাকার জন্য ২৪টি এনক্লোজার করা হয়েছে। কোন এনক্লোজারে কোন পশুপাখি আছে,‌ তার জন্য বোর্ড লাগানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, পশু-পাখি প্রেমিকরা বিভিন্ন পশুপাখিদের এক বছরের খাওয়া ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে পারেন এখানে। সারা বছর পশুপাখির খাওয়াদাওয়ার খরচ যদি কেউ নিতে চান তা হলে বন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে।

You might also like!