Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Bankura : প্রাচীর বিহীন গার্লস স্কুল, তা চালাতে ভরসা মাত্র ১ জন শিক্ষিকা, চলে অসামাজিক কাজও, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও মেলেনি সুরাহা

a Girl's school in Bankura , only 1 teacher to run it (Collected)
a Girl's school in Bankura , only 1 teacher to run it (Collected)

 

অনিরুদ্ধ সরকার,বাঁকুড়াঃ আছে বিদ্যালয়, আছে বিদ্যালয়ের সমস্ত পরিকাঠামো, আছে ৩২০ জন ছাত্রী, আছে ব্ল্যাকবোর্ড, অফিসঘর কিন্তু নেই শিক্ষক। শিক্ষকের অভাবে মাসের পর মাস ক্লাস বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কোথাও কোনো কোনো দিন স্থানীয় কয়েকজন যুবতী ক্লাস নেন।রাজ্যে শিক্ষার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আগেই। ফের প্রশ্নের মুখে বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের শান্তাশ্রম গার্লস জুনিয়র হাইস্কুল। মাত্র একজন স্থায়ী শিক্ষিকা দিয়ে চলছে স্কুল। আর এই কারণে চরম সমস্যায় পড়েছে ছাত্রীরা। ক্লাস তো পরের কথা! স্কুলে এসে ঝাঁট দেওয়া, জল তোলা, সবই করতে হয় পড়ুয়াদের। অভিযোগ, উদাসীন রয়েছে প্রশাসন। দ্রুত শিক্ষিকা নিয়োগ করা হোক এই দাবি করেছেন অভিভাবকরা। আবারও শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ উঠল। এই স্কুলে মোট ৩২০ জন ছাত্রী রয়েছে। আর স্কুলে রয়েছেন একটি মাত্র স্থায়ী শিক্ষিকা ও একজন অতিথি শিক্ষক এবং তাঁদেরকেই গোটা বিদ্যালয় সামলাতে হচ্ছে। ক্লাস ফাইভ থেকে এইট পর্যন্ত ছাত্রীদের সঠিক পঠনপাঠন না হওয়াতে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার বিষয়টিও সুনিশ্চিত নয় স্কুলে।স্কুলটির চারদিকে কোনও পাঁচিল দেওয়া নেই ৷ তাই মেয়েদের স্কুলে সুরক্ষার যথেষ্ট অভাব রয়েছে ৷ স্কুল ছুটির পরে স্কুলের ভিতরে, সিঁড়ির নীচে অসামাজিক কাজকর্ম হয় ৷ তার প্রমাণও মেলে সকালবেলা ৷ কিন্তু এইক্ষেত্রেও নিরুপায় একমাত্র শিক্ষক শতাব্দী রায় ৷ তাই সরকারের কাছে তাঁর আবেদন, স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের সঙ্গে মেয়েদের সুরক্ষার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হোক।

বিদ্যালয়ের এই চরম সমস্যা দেখে স্থানীয় শিক্ষিত কয়েকজন যুবতী মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ে এসে ছাত্রীদের নিজেদের শিক্ষা প্রদান করেন।এই বিদ্যালয়ে মোট তিনজন শিক্ষিকা ছিলেন। ২০২১ সালে দুজন শিক্ষিকা ট্রান্সফার নিয়ে অন্যত্র চলে যান। ফলে এই মুহূর্তে বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের একজন স্থায়ী শিক্ষিকা রয়েছেন এবং অপর একজন অতিথি শিক্ষক। স্বাভাবিকভাবেই সমস্ত বিষয়ে তাঁদের পক্ষে ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়। ফলস্বরূপ শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে বিদ্যালয়ে আসা ছাত্রীদের। দিনের পর দিন মাসের পর মাস এই সমস্যার কথা জেলা শিক্ষা দফতরকে জানিয়েও সমাধান হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।আর এখানেই শিক্ষা দফতরের সদর্থক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল কাজ, মিড ডে মিল সহ অন্যান্য সমস্ত বিষয়ের উপর নজর রেখে কিভাবে সঠিক সময়ে ক্লাস নেওয়া সম্ভব বা আদৌ সম্ভব হয় কিনা সেটাই প্রশ্নচিহ্নের মুখে। এখন কবে এই সমস্যার সমাধান হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন বিদ্যালয়ের পড়ুয়া সহ অভিভাবকরা। এক অভিভাবক বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ে সিলেবাস শেষ হচ্ছে না ফলে পরীক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের তাই দ্রুত সরকার এই সমস্যার সমাধান করুক’।স্নেহা পাল নামে এক ছাত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন একটি থেকে দুটি ক্লাস হয় বাকি সময়টা বিদ্যালয়ে বসেই কাটাতে হয়। সিলেবাস শেষ হয় না। আমরা কিছু বুঝতে পারি না। ফলে পরীক্ষায় লিখতে সমস্যা হয়। তাই দ্রুত বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা নিয়োগ করা হলে ভালো হয়’। শান্তাশ্রম গার্লস জুনিয়র হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা শতাব্দী রায় বলেন, ‘বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা নেই। ক্লাস বন্ধ থাকে। স্থানীয় শিক্ষিত যুবতীদের দিয়ে মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ে ক্লাস করাতে হয়। এমনকি আমার বিদ্যালয়ের গ্রুপ ডির কর্মীকে পর্যন্ত ক্লাস নিতে হয়। এই সমস্যার কথা বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।কিন্তু এখনও সেই সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হলে ভালো হয়’। বাঁকুড়া জেলার ডিআই সেকেন্ডারি পীযূষ কান্তি বেরা বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ে তিনটি অনুমোদিত পদ রয়েছে। জুনিয়র হাই স্কুলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলে দ্রুত এই সমস্যা মিটে যাবে’

You might also like!