Breaking News
 
Suvendu Adhikari: ‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Government Hospitals Employees Bonus: পুজোর আগে সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের জন্য সুখবর, ৮.৩৩% বোনাসের নির্দেশ স্বাস্থ্যদপ্তরের Mumbai Protest Row: জ্ঞানেশ ইস্যুতে বিক্ষোভের জের! দীপকে-সহ ৪০০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর, পুলিশকে কেন ‘ধন্যবাদ’ ককরোচ নেতার? Kerala Orders Probe: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স তদন্তের নির্দেশ কেরলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি

 

Travel

3 years ago

Burdwan's 'Mana Forest': বর্ধমানের 'মানা ফরেস্ট' - জল-জঙ্গল মিলিয়ে অপূর্ব প্রকৃতি

Burdwan's 'Mana Forest' - a beautiful combination of water and forest
Burdwan's 'Mana Forest' - a beautiful combination of water and forest

 

 দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  বর্ষায় সব জঙ্গলের দরজাই বন্ধ। যাওয়া যাচ্ছে না পাহাড়েও। বাধ্য হয়েই সমুদ্র ছুটতে হচ্ছে ভ্রমণ প্রেমীদর। কিন্তু ঘরের কাছেই যে এক সুন্দর জঙ্গল রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। কলকাতা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। আবার ফিরে আসা যায়। সেই জায়গার নাম মানা ফরেস্ট।

বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের পাড়ে রয়েছে জায়গাটি। অনেকেই জানেন না সেখানকার কথা। নামও শোনেনি অনেকে। মানা ফরেস্টকে অনেকেই উত্তরবঙ্গের মানাবাড়ির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু মানা ফরেস্ট দক্ষিণবঙ্গের অংশ এবং কলকাতা থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের পাড়ে রয়েছে এই জঙ্গল।

এক্কেবারে দামোদরের গা ঘেসে রয়েছে জঙ্গলটি। বর্ষায় টইটুম্বুর দামোদর নদ। যদিও এবার বৃষ্টি কম হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। তাই এখনও জল বাড়েনি দক্ষিণবঙ্গের কোনও নদীতেই। দামোদরেও চরা জলে ভরে যায়নি। কাজেই মানা ফরেস্টে এলে উপরি পাওনা দামোদরের বালির চরে ঘুরে বেড়ানো।

দামোদরের পাড়ে যে এতো সুন্দর একটি জায়গা রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। সবুজ গাছগাছািলতে ভর্তি। শীতকালে অনেকেই এখানে পিকনিক করতে আসেন। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে নদীর পাড়ে যাওয়ার রাস্তা রয়েছে। অনেকে এই জায়গাটিকে চর মানা ফরেস্ট বা মানা চর বলেও জানেন।দামোদরের জলে স্নান সেরে সেখানেই খাবার দাবার নিয়ে বসে জমিয়ে পিকনিক সেরে ফেলতে পারেন। একে নদীর পাড় আর জঙ্গল বলে শান্ত এবং নিরিবিিলর পাশাপাশি বেশ ঠান্ডাও পরিবেশ। গলদঘর্ম হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। নদীর পাড়ে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে ফেলতে পারেন। কাছাকাছি অবশ্য খাবার দোকান নেই। বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াই ভাল।


You might also like!