
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়াকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্যের পালটা দিতে গিয়ে তাঁর শারীরিক সুস্থতা নিয়েও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর দাবি, শারীরিক সমস্যার কারণেই অভিষেক এমন মন্তব্য করছেন। পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে অভিষেকের হুঁশিয়ারির জবাবে তাঁর এই পালটা আক্রমণ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
গত বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরনোমাত্রই গ্রেপ্তার হন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। সে প্রসঙ্গে পুলিশকে হুঁশিয়ারির সুরে অভিষেক বলেন, “যাঁরা ভাবছেন শুভেন্দু অধিকারীর অঙ্গুলিহেলনে কাজ করব, সবাইকে ওয়ার্নিং দিচ্ছি। সবাইকে ওয়ার্নিং দিয়ে যাচ্ছি, সরকার পাল্টালে কেউ বাঁচাবে না। সেই সব পুলিশ অফিসারদের বলব, একটা নাম চিহ্নিত করে রাখা আছে। কার কী পরিণতি হয় দেখবেন।”আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “আমার আপ্ত সহায়ককে মিথ্যে মামলা দিয়ে প্রায় আড়াই মাসের বেশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। দু-চারটে পুলিশ অফিসারকে দিয়ে… তাঁদের বলা হয়েছে পুরস্কৃত করা হবে। যাঁরা শুভেন্দু অধিকারীর অঙ্গুলিহেলনে চলছেন আমি সেই পুলিশ অফিসারগুলিকে বলব, এক একটা নাম চিহ্নিত করে রাখা থাকল।” সরাসরি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে নিশানা করে অভিষেক বলেন, “যাঁরা ভাবছেন ভালো ভালো পোস্টিং পাব মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি করে, দু’বছরে আপনাদের কী পরিণতি হয় আমি দেখব। আমি এখানে থাকব আপনারাও এখানে থাকবেন। কেউ ছাড় পাবেন না। কেউ রেয়াত পাবেন না।”
অভিষেকের হুঁশিয়ারির পালটা জবাব দেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার তিনি বলেন, “আমার মনে হয়েছে ওঁর যে চ্যালা পিএ টাকা তুলত সে সব বলে দিয়েছে। ১৫ বছর সরকারে ছিল তাই ওদেরও তিন-চারটে লোক থাকতে পারে ভিতরে। ফেস টাইমে কথা বলে। আর এর সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সমস্যা হয়েছে। নিউইয়র্ক যেতে চাইছেন যারা আমরা এনওসি করে দেব। সব দেখছি আমরা।” যদিও শুভেন্দুর পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত অভিষেকের তরফে পাওয়া যায়নি।
