
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের উৎসবের আবহে মাততে চলেছে রাজ্য। আর দিন দশেক পরেই কালীপুজো। আলোর উৎসব যাতে কোনওভাবেই অন্ধকারে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই সতর্ক রাজ্য সরকার। নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কালীপুজোর প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার দায়িত্ব জেলাভিত্তিক ভাবে মন্ত্রীদের হাতে তুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার জন্য একজন করে মন্ত্রী দায়িত্বে থাকবেন। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুজোর আয়োজন থেকে শুরু করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। বড় জেলাগুলির ক্ষেত্রে দু’জন করে মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধু কালীপুজোই নয়, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছটপুজোর ক্ষেত্রেও একইভাবে নজরদারি চালাতে চায় রাজ্য সরকার।
বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে আগামী ৫ নভেম্বর নবান্ন থেকেই এই নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে বৃহৎ শিল্প সংস্থা ও নতুন বিনিয়োগ টানতে সিঙ্গল উইন্ডে নীতি কার্যকর ও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একাধিক পদক্ষেপের ঘোষণা হতে পারে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।
বদল হল রাজ্যের চর্চিত ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের নাম। নতুন নাম হল ‘মুখ্যমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি’। ৫ নভেম্বর পুরশুরা থেকে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির রাজ্যের অংশের ২ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে প্রায় ৪৮ লক্ষ কৃষককে। ৫ নভেম্বরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রী। বাকিরা জেলা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেবেন। পাশাপাশি, যে সমস্ত দপ্তর ইতিমধ্যে বাজেট বরাদ্দের ৩৫ শতাংশ টাকা খরচ করেছে, তাদের পরবর্তী অংশের অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ দপ্তরকে দেওয়া হয়েছে। ১১ থেকে ১৮ নভেম্বর রাজ্যে পালিত হবে জনজাতি গৌরব দিবস।
