EC officer RTI: কমিশনের অন্দরে অনিয়মের অভিযোগ, কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন! আরটিআইয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ্যে

Full bench of the commission
Full bench of the commission

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  নির্বাচন কমিশনের দুই শীর্ষ আধিকারিকের চিঠি পেয়েও কি নীরব ছিল কেন্দ্রীয় সরকার? তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) পাওয়া তথ্য ঘিরে এবার নতুন করে প্রশ্ন উঠল। সম্প্রতি জানা গিয়েছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাশ কাটিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী। সেই চিঠিতে কী অভিযোগ জানানো হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছিল। এবার আরটিআইয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই চিঠির ভিত্তিতে ক্যাবিনেট সচিবালয়ের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ওঠা অভিযোগ এবং কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

কেন অভিযোগ পেয়েও পদক্ষেপ করল না ক্যাবিনেট সচিবালয়? আরটিআইয়ের জবাবে বলা হয়েছে, ক্যাবিনেটের কাছে যেসব চিঠি এসেছিল লেখা হয়েছিল ব্যক্তিগতভাবে। কমিশনের তরফ থেকে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। সেকারণে ক্যাবিনেট সচিবালয় সিদ্ধান্ত নেয়, যেহেতু কমিশনের তরফ থেকে চিঠি মেলেনি তাই ব্যক্তিগত চিঠির প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করলে সেটা কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপের সমতুল্য হবে। যদিও ক্যাবিনেট সচিবালয় মনে করেছিল এই অভিযোগ বেশ গুরুতর এবং তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত। কিন্তু এই বিষয়টকে কমিশনের তরফ থেকে সরকারিভাবে দায়ের হওয়া অভিযোগ হিসাবে ধরা যাবে না।

দিনদুয়েক আগেই জানা গিয়েছিল, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীর লেখা ২৯ জুলাই তারিখের চিঠি দু’টি ‘সেবা তীর্থে’ (যে কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় এবং ক্যাবিনেট সচিবালয় অবস্থিত) পৌঁছেছিল। প্রশ্ন হল, নির্বাচন কমিশনাররা সচিবালয়ে কেন চিঠি লিখেছিলেন? মনে করা হচ্ছে, নেপথ্যে ছিল ২৮ জুলাই জারি করা কাজের বণ্টন সংক্রান্ত একটি আদেশ। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে দুই কমিশনার ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন। ওই আদেশকে নিয়মের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন তাঁরা। যদিও পরবর্তীকালে এই নতুন বণ্টন আদেশটি বাতিল করা হয়।

বলা হয়, এই পরিবর্তনগুলোর ফলে নির্বাচনী তালিকার আইটি কাঠামোর ওপর থাকা তদারকির একটি স্তর কার্যত অপসারিত হয়। কমিশনাররাও স্পষ্ট করেন, তাঁদের অগোচরেই এই পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছিল। এটিকে ‘প্রচলিত রীতির থেকে আমূল বিচ্যুতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। যদিও ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিটি কমিশনের কোনও নীতিগত বিষয় বা আইটি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। বরং এটি ছিল নির্বাচন কমিশনে (ইসিআই) কর্মরত একজন কর্মকর্তার কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। 

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…