Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

kolkata

2 years ago

NRS Medical College and Hospital : রোগীরা অপেক্ষায়, কিন্তু চিকিৎসকের দেখা নেই নীলরতনের বর্হিবিভাগে

NRS Medical College and Hospital
NRS Medical College and Hospital

 

দুরন্ত বার্তা  ডিজিটাল ডেস্কঃ নিয়ম মেনে সকাল ৯টায় বহির্বিভাগে ডাক্তারেরা আসছেন না শহরের প্রায় কোনও মেডিক্যাল কলেজেই। কেন নির্দিষ্ট সময়ে চিকিৎসকেরা হাসপাতালে উপস্থিত থাকছেন না, তা নিয়ে সম্প্রতি ‘ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন’ (এনএমসি)-ও প্রশ্ন তুলেছে। শো-কজ় করা হয়েছে শহরের মেডিক্যাল কলেজগুলিকেও। কিন্তু তার পরেও যে চিকিৎসকদের একাংশের টনক নড়েনি।

সকালে সাড়ে ৯টা-পৌনে ১০টা বেজে গেলেও নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের উল্টো দিকে, বহির্বিভাগ বিল্ডিংয়ের একতলা, দোতলা ও তেতলায় বিভিন্ন ঘরই ছিল ফাঁকা। বাইরে তখন অসংখ্য রোগীর ভিড়। যাঁদের অনেকেই চিকিৎসার জন্য বহু দূরের জেলা থেকে এসেছেন। তাঁদের অনেকেই জানেন না, কখন চিকিৎসককে দেখিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। তবে, অধিকাংশ সিনিয়র চিকিৎসকেরই দাবি, তাঁরা অন্তর্বিভাগে রাউন্ড দিয়ে তবে বহির্বিভাগে আসেন। কিন্তু তাঁদের জুনিয়রেরা এসে আগে কাজ শুরু করে দেন।

এনআরএসের মেডিসিন, শল্য, হৃদ্‌রোগ, হেমাটোলজি, নাক-কান-গলা বিভাগের বহির্বিভাগে দেখা মেলেনি কোনও স্তরের চিকিৎসকেরই। অস্থি বিভাগে দু’জন চিকিৎসক থাকলেও তা ছিল রোগীদের ভিড়ের তুলনায় কম। এনআরএসের সুপার ইন্দিরা দে বললেন, ‘‘বহির্বিভাগে সময় মতো চিকিৎসকেরা আসছেন কি না, তা প্রায়ই খতিয়ে দেখা হয়। এ দিন কী হয়েছে, তা দেখতে হবে।’’ তখন সকাল ৯টা ২০ মিনিট,কার্ডিয়োলজির টিকিট নথিভুক্তির কাউন্টারে লম্বা লাইন।তবে চিকিৎসক এসে পৌঁছাননি তখনো। ঠিক ঐ সময়েই বহির্বিভাগ বিল্ডিংয়ের দোতলায় গিয়ে দেখা গেল, জেনারেল মেডিসিনের একের পর এক কেবিন ফাঁকা।সকাল ৯টা ৪০ মিনিটেও ফাঁকা ৯-এ নম্বর ঘরের মহিলা শল্য বিভাগের চিকিৎসকের চেয়ার। সকাল থেকে অপেক্ষা করে কেউ কেউ বেঞ্চে বসেই দেওয়ালে ঠেস দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন। পাশে ৯-বি নম্বর ঘরে পুরুষ শল্য বিভাগে রয়েছেন কম বয়সি এক জন চিকিৎসক। সেখানে লাইন সরছে খুবই ঢিমেতালে।নাক-কান-গলা বিভাগে ঢুকে দেখা গেল, ভিতরে সব কেবিনই ফাঁকা। বাইরে অপেক্ষায় অসংখ্য রোগী। সকাল পৌনে ১০টা বাজলেও ঘরে চিকিৎসকদের দেখা নেই। 

এ হেন চিত্র রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে বড়ো প্রশ্নের মুখে আবারো দাঁড় করিয়ে দিল প্রশাসনকে। 

You might also like!