
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ৩০ ডিসেম্বর থেকে যাত্রা শুরু হচ্ছে বাংলার প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের। উদ্বোধন করতে হাওড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাত্রাপথে সময় লাগবে সাড়ে ৭ ঘণ্টা।এই ট্রেন নিয়ে উন্মাদনার শেষ নেই বঙ্গবাসীর।
এই দ্রুতগামী ট্রেনের থামার কথা নিউ ফরাক্কা এবং মালদহ টাউন স্টেশনে। কিন্তু আরও একটি স্টপেজ চেয়ে এ বার চিঠি গেল রেলমন্ত্রীর দফতরে। চিঠি লিখলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।তাঁর দাবি, কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন-বোলপুর স্টেশনে দাঁড়াক বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। একজন জনপ্রতিনিধি তথা বাংলার নাগরিক হিসাবে তিনি রেলমন্ত্রীর কাছে এই দাবি করছেন বলে চিঠিতে লিখেছেন তিনি।
সুকান্তের দাবি, বছরভর দেশবিদেশের অসংখ্য পড়ুয়া এবং পর্যটক শান্তিনিকেতনে আসেন। কিন্তু বোলপুর শান্তিনিকেতনে কোনো বিমান যোগাযোগ নেই, সে ক্ষেত্রে বন্দে ভারত ট্রেন বোলপুর-শান্তিনিকেতনে দাঁড়ালে উপকৃত হবেন বহু মানুষ।
হেরিটেজ তালিকাভুক্ত শান্তিনিকেতন স্টেশনে থামে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন। উত্তরবঙ্গ কিংবা দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে যে সব ট্রেন হাওড়া বা শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছয়, তাদের যাত্রাপথ যদি বোলপুর হয়ে যায়, তাহলে তা থামে বোলপুর-শান্তিনিকেতন স্টেশনে। শান্তিনিকেতনে বিমান পরিসেবা না থাকায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে শান্তিনিকেতনে থামানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন সুকান্ত।
প্রসঙ্গত, একাধিক স্টেশনে বন্দে ভারতকে দাঁড় করিয়ে নতুন ট্রেনকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। একই সঙ্গে অনুষ্ঠান চলবে হাওড়া, মালদহ এবং নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। মিনিট খানেকের জন্য বন্দে ভারতকে বরণ করার সুযোগ পেতে পারে ডানকুনি, কামারকুণ্ডুর মতো ছোট স্টেশনও। সেই তালিকায় যদিও নাম নেই বোলপুর-শান্তিনিকেতনের। এখন দেখার বিষয় এটাই যে বাংলার এই বিজেপি সাংসদের দাবি মেনে শান্তি নিকেতন ও বন্দে ভারতের স্বাদের ভাগ পায় না কী আরো তর্জমা হয় এই বিষয় নিয়ে।
