দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে সরব বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। পালটা রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ময়দানে নেমেছে বিজেপিও। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতায় পৌঁছন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। শহরে এসে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিরোধী জোটের দলগুলিকেও নিশানা করেন স্মৃতি। তাঁর কটাক্ষ, “কংগ্রেস আগেও হারত। এখন হেরে কমিশনকে দোষ দিচ্ছে।” এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। বিরোধী দলগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “অধীর দা, সিপিএম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসঙ্গে মিছিল করুক।”
ছাব্বিশের নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তাঁকে হারানো হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ও মুখ্য নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারকে দায়ী করেন তিনি। পরবর্তীকালে একটি সংবাদ মাধ্যমের তদন্তমূলক প্রতিবেদন সামনে আসার পর, জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন আরও জোরদার হয়। পালটা স্মৃতি ইরানি কলকাতায় মমতাকে বিঁধে জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ভোটার লিস্টে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। এখানে আন্দোলন না করে, দিল্লি যাচ্ছে।” কংগ্রেস-সহ ‘ইন্ডি’ জোটকে আক্রমণ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কংগ্রেস আগে থেকেই নির্বাচন হারছে। এবার কমিশনকে দোষ দিচ্ছে। ২০২৪ সালে জ্ঞানেশকুমার নির্বাচন কমিশনারই ছিলেন না।” মোদি সরকারকে মসনদ থেকে নামাতে ও দেশকে বদনাম করতে বিদেশি সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। স্মৃতির কথায়, “রাহুল গান্ধী লন্ডনে গিয় বলছেন মোদিকে হারাতে চান।” স্মৃতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় না লড়ে দিল্লিতে লড়াই করছেন কেন সেই প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “এখানে অধীর, মমতা, সিপিএম মিছিল করুক। এখানে কিছু করছে না, দিল্লিতে গিয়ে হাত মেলাচ্ছে।”
