Breaking News
 
MLA Byran Biswas: বাইরনের ঘরে আগুন কী ভাবে? জল্পনার মাঝে মুখ খুললেন মেজো ভাই, দিলেন শর্ট সার্কিটের তত্ত্ব SP MP Targets Rahul Gandhi: ‘হারের ভয়েই’ রায়বরেলিতে লড়তে চাননি রাহুল? বিস্ফোরক দাবি অখিলেশের দলের সাংসদের M Nageshwar Rao: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের পর রাজনীতিতে প্রাক্তন সিবিআই প্রধান, নতুন ভূমিকায় নাগেশ্বর রাও Nagaland Woman 'Assaulted: ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের পর পাঁচতারা হোটেলে অশান্তি! নাগাল্যান্ডের দুই যুবতীর সঙ্গে শ্লীলতাহানির অভিযোগ CM Suvendu Adhikari: ‘১০ মার্চ মিথ্যা দিবস পালন করলে কেমন হয়?’ নন্দীগ্রাম থেকে মমতাকে ফের খোঁচা শুভেন্দুর Suvendu Adhikari: ‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

 

kolkata

1 month ago

Calcutta HC: মসজিদের মাইক নিয়ে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা খারিজ, কল্যাণের হুঙ্কার ‘আবার মাইক লাগান, দেখি…’

Mosque Loudspeaker PIL Dismissed by Calcutta HC
Mosque Loudspeaker PIL Dismissed by Calcutta HC

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মসজিদ থেকে মাইক খোলা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, পুলিশের মৌখিক নির্দেশ এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় চার হাজার মসজিদে মাইক নিয়ে আপত্তির কথা বলা হলেও, সেই সব মসজিদের অধিকাংশকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা হয়নি। এই কারণে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই পর্যবেক্ষণ আদালতের। এর পরই মামলাটি খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের রায়ের পর মসজিদগুলির পক্ষে সওয়াল করা কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে মাইকে আজান দেওয়া যাবে। তাঁর দাবি, এ ক্ষেত্রে কারও বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। যে সব মসজিদ থেকে আগে মাইক খুলে নেওয়া হয়েছিল, সেগুলিও ফের মাইক লাগাতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সম্প্রতি পুলিশ প্রশাসন মসজিদ কমিটিগুলিকে মৌখিকভাবে মাইক খোলার নির্দেশ দেয়, কোথাও কোথাও নিজেরাই গিয়ে তা খুলে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ নিয়ে আদালত রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছে তথ্য চায়। তার ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাজ্যের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন এজি জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি আদালতে জানান, ‘‘পুলিশ প্রশাসনের তরফে এমন কিছু করা হয়নি। তা মৌখিক নির্দেশ ছিল মাত্র। বিচারপতিরা জানতে চান, মসজিদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুলিশের কোনও বৈঠক কি হয়েছিল? উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, না, তা হয়নি। 

এরপর এজি এ বিষয়ে জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি তোলেন। তাঁর যুক্তি, মামলাকারী একজন আইনজীবী। অথচ তিনি পিটিশনে মসজিদ থেকে মাইক খোলা নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের নাম উল্লেখ করেননি। এজির কথায়, ‘‘বলা হয়েছে, একটি মৌখিক নির্দেশের ভিত্তিতে এই মামলা হয়েছে। কোন কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ দিয়েছে, তা তাঁরা উল্লেখ করেননি। কোনও বিধিবদ্ধ নিয়ম লঙ্ঘনের নথি নেই। অভিযোগগুলি অস্পষ্ট। ইমাম ও মসজিদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের উপর নির্ভর করা হয়েছে, কিন্তু তাঁদের কেউই আদালতে এসে বয়ান দেননি। মূলত সংবাদপত্রের খবরের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে বলা হয়েছে পুলিশকর্মীরা মসজিদগুলিকে লাউডস্পিকার সরানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এমন কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি।” 

মামলা খারিজের পর মসজিদ কর্তৃপক্ষের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আদালত আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে। যেমন মাইকে আজান চালাচ্ছিলেন, তেমন আজান চালাবেন। আইন অনুযায়ী, যে ডেসিমেল নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী আজান চলবে। অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে জানিয়েছেন, মাইক বন্ধ করে কোনও মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আদালত বলছে, মৌখিকভাবে বলা কোনও প্রমাণ হতে পারে না। তাই মামলাটাই খারিজ হয়েছে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, “আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, এবার থেকে কোনও মসজিদে মাইক খোলা হবে না পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিলেও। পুলিশ এসে মসজিদে ঢুকলে পালটা মামলা দায়ের করবেন।” 

You might also like!