Breaking News
 
MLA Byran Biswas: বাইরনের ঘরে আগুন কী ভাবে? জল্পনার মাঝে মুখ খুললেন মেজো ভাই, দিলেন শর্ট সার্কিটের তত্ত্ব SP MP Targets Rahul Gandhi: ‘হারের ভয়েই’ রায়বরেলিতে লড়তে চাননি রাহুল? বিস্ফোরক দাবি অখিলেশের দলের সাংসদের M Nageshwar Rao: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের পর রাজনীতিতে প্রাক্তন সিবিআই প্রধান, নতুন ভূমিকায় নাগেশ্বর রাও Nagaland Woman 'Assaulted: ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের পর পাঁচতারা হোটেলে অশান্তি! নাগাল্যান্ডের দুই যুবতীর সঙ্গে শ্লীলতাহানির অভিযোগ CM Suvendu Adhikari: ‘১০ মার্চ মিথ্যা দিবস পালন করলে কেমন হয়?’ নন্দীগ্রাম থেকে মমতাকে ফের খোঁচা শুভেন্দুর Suvendu Adhikari: ‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

 

kolkata

1 month ago

Calcutta High Court: এখনই জাতিগত শংসাপত্র যাচাই নয়! রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের

Calcutta High Court on Cast Cerificate
Calcutta High Court on Cast Cerificate

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  জাতিগত শংসাপত্র যাচাই সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৪ মে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই বিজ্ঞপ্তির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্ট পক্ষ। মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ওই বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে। আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। ফলে জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে আপাতত রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সাময়িক বিরতি পড়ল। 

শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ক্ষমতায় আসার পরই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে থাকে। জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। তৃণমূল আমলে জাতিগত শংসাপত্র সঠিক নিয়মে দেওয়া হয়নি, সেই অভিযোগও উঠেছিল। নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় এসেই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। জানানো হয়, ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্য অনগ্রসর শ্রেণির যে সব শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেসব যাচাই করা হবে। শুধু তাই নয়, যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোনও শংসাপত্র ‘ভুয়ো’ দেখা গেলে, বাতিলও হতে পারে! সেই কথাও জানানো হয়। 

সেই বিজ্ঞপ্তির পরই কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়াল করেন। এই বিজ্ঞপ্তিতে বহু মানুষের শংসাপত্র বাতিলের আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়। রাজ্য সরকারের এভাবে শংসাপত্র বাতিল করার ক্ষমতা নেই, সেই সওয়াল আদালতে করা হয়। রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎনাথ মিত্র আদালতে পালটা সওয়াল করেছিলেন। ভোটার-আধার কার্ড-সহ অন্য নথি এবং জাতিগত পারিবারিক বিষয় যাচাই করে রাজ্য সরকার এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেই কথা জানানো হয়েছিল। যদিও সেই বক্তব্যকে তেমন একতা গুরুত্ব দেয়নি হাই কোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের ওই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল। এখনই কোনও পদক্ষেপ ওই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে নিতে পারবে না রাজ্য সরকার।  

You might also like!