
কলকাতা, ২১ জুলাই : “এই শহীদ শব্দটি সম্পুর্ণ অসত্য। কারন এরা কেউই কোন দেশ উদ্ধার করার জন্য মারা যায়নি,বরং মমতা ব্যানার্জী নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য সেই সময় কয়েক হাজার মানুষকে সম্পুর্ণ মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল।” এই মন্তব্য করলেন সংযুক্ত হিন্দু ফ্রন্ট সভাপতি শঙ্কর মণ্ডল।
শঙ্করবাবুর বক্তব্য, “প্রিসাইডিং অফিসাররা ভোট লুঠ নিয়ে যেভাবে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন, তার পরেও এই অসভ্য বর্বর তৃণমূল যেভাবে গলা ফাটাচ্ছে তাতে এদের কখনও নূন্যতম শিক্ষা আছে এটা বিশ্বাস করা অত্যন্ত কঠিন। ২১ শে জুলাই শহীদ দিবস নাম করে একটা রাজনৈতিক সমাবেশ হতে চলেছে। আর বিগত ১২ বছরের শাসনকালে কেন ওই তথাকথিত শহীদদের মৃত্যুর জন্য কে অপরাধী, তা বের করা গেল না? বরঞ্চ সেই সময় যে আমলার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ছিল সেই মণীশ গুপ্তকে মমতা ব্যানার্জী পুরস্কৃত করেছেন।
আসলে এই রাজ্যটাই বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত গরীমাহীন রাজ্য বা বলা ভাল এই রাজ্যটা উপদ্রুত অঞ্চলে পরিনত হয়েছে। আজ বিভিন্ন পাল্টিবাজ ও ধান্দাবাজ তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাও মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। সময় সময় তৃণমূলের বহু বিধায়কও এই পরিস্থিতিকে সমর্থন করতে না পেরে মুখ খুলে ফেলছেন। কিন্তু তাদের সরকারের অঘোষিত কর্মসূচীর সরাসরি বিরোধিতা করা কোনওভাবে সম্ভব নয়। আর সেই কর্মসূচী হল কেবল দখলদারী।
তাই এই কর্মসূচীকে বাদ দিলে তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব থাকে না।কারন এই দলে কোন আদর্শ নেই। দলটা শুরুই হয়েছিল কেবল একটি সরকারকে উৎখাত করার কর্মসূচী নিয়ে। এই দলে না আছে শিক্ষানীতি, না আছে অর্থনীতি, না আছে শিল্পনীতি।সুতরাং এই দলে লোক জড়োই হয় কেবল ক্ষমতা উপভোগ করার জন্য।
যাই হোক তৃণমূল থাকুক তৃণমূলে,কিন্তু এই দেশের সবচেয়ে বিপজ্জনক শক্তি কমিউনিষ্টদের বিরুদ্ধে জোড়ালো প্রচার করতে হবে। কারন তৃণমূল আজ না হোক কাল যাবেই।
