kolkata

3 years ago

KMC operation started against car Parking : রাস্তায় রাতে রাখা গাড়ির বিরুদ্ধে শুরু হল পুর অভিযান

KMC  operation started against cars kept on the road at night
KMC operation started against cars kept on the road at night

 

কলকাতা, ৩ এপ্রিল : কলকাতা পুরসভা রাতে রাস্তায় অবৈধভাবে পার্ক করা গাড়িগুলিতে পোস্টার লাগানো শুরু করল। নিজেদের বাড়ির সামনে রাতের পার্কিংয়ের জন্য নাগরিক সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি নিতে বলেছে।

পুরসভার তরফে এমনিতে রাতে রাস্তায় অবৈধভাবে পার্ক করা গাড়ির টায়ারে ‘বাতা’ লাগানো হয়। এখন পুরসভা গাড়িতে পোস্টার সাঁটাতে শুরু করেছে। পোস্টারে বলা হয়েছে যে গাড়ির মালিককে জরিমানা করা হবে। মালিককে নিয়ম মেনে চলার এবং রাতের পার্কিংয়ের অনুমতি নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত সতর্কতা দেওয়া হচ্ছে পোস্টারে।

একটি চার চাকার মালিককে তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তায় রাত ১০ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত গাড়ি রাখার জন্য একটি স্থান সংরক্ষণ করতে মাসে ৫০০ টাকা দিতে হবে। অননুমোদিত পার্কিংয়ের জন্য জরিমানা ১ হাজার টাকা। সোমবার এক পুর-আধিকারিক বলেন, যদি গাড়িটি রাখা অবস্থায় পাশ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি দমকলের গাড়ি যাওয়ার জন্য রাস্তায় জায়গা থাকে, তবেই মালিকদের তাঁদের বাড়ির সামনে তাদের গাড়ি রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।

অনুমোদিত গাড়ির মালিককে পুরসভা একটি স্টিকার দিচ্ছে। সেটি মালিক গাড়ির সামনের কাচে (উইন্ডশিল্ডে) লাগাতে পারেন। সেটি থাকলে পুর অভিযানের সময় গাড়িটি ওই স্থানে পার্ক করে রাখলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এক পুরকর্তার কথায়, "আমরা আবেদনকারীদের শুধুমাত্র তাঁদের বাড়ির সামনে একটি গাড়ি রাখার স্থান সংরক্ষিত করার অনুমতি দেব। অন্য কোথাও পার্কিংয়ের অনুমতি দেব না"।

যদি দ্বিতীয় অভিযানের সময় আবার অবৈধভাবে রাখা গাড়ি পাওয়া যায়, তাহলে মালিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভা রাজ্যের পরিবহন বিভাগকে অনুরোধ করেছে দেশের সমস্ত নিবন্ধিত যানবাহনের ডিজিটাল সংকলন ‘বাহন’-এর সংযোগ দেওয়ার জন্য। যাতে পুর অভিযানে অভিযুক্ত গাড়ির মালিককে একটি পাঠ্য বার্তা পাঠাতে ওই সংযোগ ব্যবহার করা যায়৷ সেক্ষেত্রে মালিককে গাড়ির ফিটনেস শংসাপত্র পুনর্নবীকরণে বাধা পেতে হবে।

২০২২-২৩ সালে গাড়ি পার্কিং ফি থেকে আয়ের জন্য বাজেট অনুমান ছিল ২২.২৬ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠেছে, “পুরসভার কর্মসংস্কৃতি তলানিতে। কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বেতন দিতে। এই বরাদ্দ ক্রমেই বাড়ছে। অথচ, কর্মীদের একটা অংশ কাজ করেননা। কর্তৃপক্ষ এগুলো ঠিক করতে পারছেন না। এখন আয় বাড়াতে কর্তৃপক্ষ হরেক উৎস খুঁজছেন। এছাড়াও, রাতের বেলা গোটা শহরে রাস্তায় হাজার হাজার গাড়ি পার্ক করা থাকে। সর্বত্র অভিযান চালানোর মত পরিকাঠামো পুরসভার আছে তো?


You might also like!