Breaking News

 

CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

CM Suvendu Adhikari
CM Suvendu Adhikari

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘ভরসা ইন, ভয় আউট’ স্লোগানকে সামনে রেখেই প্রচারে ঝড় তুলেছিল বিজেপি। নির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এবার রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রেও সেই স্লোগানের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে দাবি উঠল। বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসারনীতি ২০২৬ প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় শিল্পপতিরা নিজেরাই জানালেন, রাজ্যে এখন আর তোলাবাজির সমস্যা নেই। তাঁদের এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, তৃণমূলের শাসনকালে রাজ্যে বারবার সিন্ডিকেটরাজ ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। ক্ষমতায় আসার পর সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছেন বলে দাবি শুভেন্দু সরকারের। পাশাপাশি আগামী দিনে শিল্পক্ষেত্রে কোনও রকম তোলাবাজির চেষ্টা হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

তোলাবাজির অবসানে স্বাভাবিকভাবেই শিল্পমহলে স্বস্তির নিশ্বাস। খুশি খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন সাফ জানান তিনি, আগে পান, সুপারি থেকে বড় শিল্প সর্বত্র চলত সিন্ডিকেটরাজ। তবে এখন সেসব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও যদি কেউ তোলাবাজদের ‘দাদাগিরি’র মুখোমুখি পড়েন, সেক্ষেত্রে সরকার সবসময় তাঁর পাশে আছে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “আমাদের অভিযোগ জানানোর নম্বর চালু আছে। অভিযোগ জানাতে ফোন করবেন।” ফোন পেলে মাত্র ১৫ মিনিটেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই আশ্বাস তাঁর। পাশাপাশি শিল্পপতিদের রাজ্যে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতাও থাকা প্রয়োজন। তবেই রাজ্যে আসবে শিল্পের জোয়ার। হাল ফিরবে বাংলার।

উল্লেখ্য, শিল্প টানতে এর আগে প্রতি বছর কলকাতায় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করত পূর্বতন তৃণমূল সরকার। তবে তা সত্ত্বেও রাজ্যে সেভাবে শিল্প আসেনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশেও গিয়ে লগ্নি আনার কথা বলেছেন বহুবার। এখনও রাজ্যে শিল্পখরা প্রবল। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বাংলায় শিল্প আসেনি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের একটাই লক্ষ্য বাংলার উন্নয়ন। শিল্প ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই শিল্প এবং কর্মসংস্থানে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ জোর।   


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…