
কলকাতা, ২৩ ডিসেম্বর : মুর্শিদাবাদের সুতির ব্লকের ভোতা এ আর স্কুলের কর্মশিক্ষার শিক্ষক অনিমেষ তেওয়ারিকে ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য মিলল।মুর্শিদাবাদ ডিআই রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।
বিষয়টি শুনে কার্যত বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। শুক্রবার তিনি বলেন, 'স্কুলের পড়ুয়াদের অবস্থা আমি শুধু ভাবছি। কী পড়ছে তারা! ২০১৯ সাল থেকে তিনি বেতন নিচ্ছেন''।
অভিযোগ, অন্যের নিয়োগপত্র জালিয়াতি করে দিব্যি তিনি শিক্ষক হিসাবে স্কুলে চাকরি করছেন। জানা গিয়েছে, ভূগোলের শিক্ষক পদে অরবিন্দ মাইতি নিয়োগ পত্র পান বেলডাঙার একটি স্কুলে। অভিযোগ, তাঁর ভূগোলের নিয়োগপত্র জালিয়াতি করে অনিমেষ তেওয়ারি চাকরি করছেন।
রিপোর্টে জানা গিয়েছে, অরবিন্দ মাইতির ভূগোলের নিয়োগপত্রের মেমো নং জালিয়াতি করে এতো বছর ধরে চাকরি করছেন অনিমেষ তেওয়ারি। প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই চাঞল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
কর্মশিক্ষার শিক্ষক পদে অনিমেষ তেওয়ারির স্কুল রেজিস্ট্রার সহ যাবতীয় নথি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। তিনি জানান, 'প্রতিষ্ঠানিক দুর্নীতি না ব্যতিক্রমি দুর্নীতি সেটাই আদালতে খতিয়ে দেখতে চাই।' অভিযুক্ত শিক্ষক ও স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আত্মপক্ষ সমর্থনে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
